| ২০শে জুলাই, ২০১৯ ইং | ৫ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৬ই জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী | শনিবার

পহেলা বৈশাখের আনন্দে ভাসছে পলাশ সবার মাঝে এখন ঘুড়ি উৎসবের প্রস্তুতি

আল-আমিন মিয়া,পলাশ প্রতিনিধিঃ আধার কেটে গেছে। পূবের আকাশে উঁকি দিচ্ছে নতুন সূর্য্য। যেন একটি নতুন সকালের অপেক্ষা। সেই অপেক্ষারও অবসান হচ্ছে আর মাত্র দুই দিন পর। বাঙালীর সর্বজনীন উৎসব পহেলা বৈশাখ। সবার দৃষ্টি এখন বৈশাখী উৎসবকে ঘিরে। তাই সারাদেশের ন্যায় উৎসবের আমেজে ভাসছে নরসিংদীর পলাশ উপজেলাও। পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন। এ দিনটি বাংলাদেশে নববর্ষ হিসেবে পালিত হয়। এদিন আনন্দঘন পরিবেশে বরণ করে নেওয়া হয় নতুন বছরকে। কল্যাণ ও নতুন জীবনের প্রতীক হলো নববর্ষ। অতীতের ভুল-ত্রুটি ও ব্যর্থতার গ্লানি ভুলে নতুন করে সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় উদ্যাপিত হয় নববর্ষ। এই দিনটিতে সরকারি বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে । নববর্ষ দিনটিকে ঘিরে পূর্বে না আয়োজন নেওয়া হতো। তার মাঝে কয়েকটি হলো, ঘুড়ি উৎসব প্রতিযোগিতা, দৌড় প্রতিযোগিতা, ষাড়ের লড়াই, মোরগের লড়াই, পায়রা ওড়ানো, নৌকা বাইচ, বহুরূপীর সাজ ইত্যাদি গ্রাম-বাংলার জনপ্রিয় খেলা বর্তমানে আর তেমন প্রচলিত নেই। তবে নতুন বাংলা বছরকে একটু ভিন্নভাবে বরণ করে নিতে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘুড়ি উৎসবের আয়োজন করতে যাচ্ছে পলাশ উপজেলা প্রশাসন। পহেলা বৈশাখের আগের দিন বৃহস্পতিবার বিকাল ৩ ঘটিকার সময় থেকে পলাশ উপজেলার মাঠ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে ঘুড়ি উৎসব প্রতিযোগিতা। শুধু তাই নয়, ঘুড়ি উৎসবের এই প্রতিযোগিতায় যে বিজয়ী হবে তার জন্য থাকছে একটি কালার টিভি পুরষ্কার। পলাশ উপজেলাতে পহেলা বৈশাখকে আরও রঙিন করে তুলতে উপজেলা প্রশাসন একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করেছে। মুঠোফোনে ওই আহ্বায়ক কমিটির সভাপতি আল-মুজাহিদ হোসেন তুষারের সাথে কথা বললে তিনি জানান, ইতিমধ্যে ঘুড়ি উৎসবের জন্য বিভিন্ন আকারের ঘুড়ি, নাটাই, সূতা ইত্যাদি প্রস্তুত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, রং-রেঙয়ের পোশাক পড়ে শোভাযাত্রাসহ ব্যতিক্রম কিছু আয়োজন করা হয়েছে। অপরদিকে বাংলা নতুন বছর বরণ করে নিতে এখন চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। ব্যবসায়িরা হালখাতার চিঠি পৌঁছে দিচ্ছেন তাদের গ্রাহকদের কাছে। ইলিশ মাছ কিনতে গৃহকর্তা ছুটে যাচ্ছেন হাট-বাজারগুলোতে। আর শাড়ি ও ফতুয়া কিনতে গৃহিনীরা ভিড় করছেন উপজেলার মার্কেটগুলোতে। নববর্ষকে ঘিরে উপজেলার নানা আয়োজনের বিষয়ে একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা বললে তারা জানান, এবারই প্রথম এতো জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে উৎযাপিত হতে যাচ্ছে পহেলা বৈশাখ। আর সব থেকে বড় কথা হলো, আমরা সবাই এখন শুধু ঘুড়ি উৎসব প্রতিযোগিতার অপেক্ষায় রয়েছি।

# লক্ষন বর্মন

সময় বাচাঁতে ঘরে বসে কেনা-কাটা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *