1. nahidprodhan143@gmail.com : নরসিংদী প্রতিদিন : নরসিংদী প্রতিদিন
  2. khandakarshahin@gmail.com : Breaking News : Breaking News
  3. laxman87barman@gmail.com : laxman barman : laxman barman
  4. narsingdipratidin.mail@gmail.com : narsingdi :
  5. msprovat@gmail.com : ms provat : ms provat
  6. hsabbirhossain542@gmail.com : সাব্বির হোসেন : সাব্বির হোসেন
  7. subeditor@narsingdipratidin.com : Narsingdi Pratidin : Narsingdi Pratidin
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
রায়পুরার আদিয়াবাদ ইউপি’র চেয়ারম্যান পদে উপ নির্বাচনে নৌকা প্রার্থীর বিজয় শিবপুরে ৭১টি পুজা মন্ডপে অনুদান প্রদান নরসিংদীর রায়পুরার আদিয়াবাদ ইউপির উপ-নির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলছে নরসিংদীতে বেলাব প্রেস ক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন- শেখ জলিল সভাপতি- হানিফ সাধারণ সম্পাদক আড়াইহাজরে শেখ রাসেলের জন্মদিন পালিত মাধবদীতে শেখ রাসেল এর ৫৭ তম জন্মদিন উদযাপন অতিরিক্ত আইজি শাহাব উদ্দীন পুলিশের একটি ব্র্যান্ড: আইজিপি মাধবদীতে আগুনে ভস্মীভূত দুই কারখানা-ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা নরসিংদীতে বেঙ্গল ডোর এক্সক্লুসিভ শপ এর শুভ উদ্বোধন বেলাব প্রেস ক্লাবের নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন, আচরণবিধি লংঘন করলে কঠোর ব্যবস্থা

নরসিংদী জেলা হাসাপাতালের চিকিৎসা সেবা ! দালালদের হাতে জিম্বি, অপরিষ্কার বিছানায় তেলাপোকা ছাড়পোকা বাসা বেধেঁছে

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিত মঙ্গলবার, ৬ জুন, ২০১৭

মো: শাহাদাৎ হোসেন রাজু , নরসিংদী: নরসিংদী ১০০ শয্যা জেলা হাসপাতাল দিন দিন দালালদের দৌরাত্মের ফলে বর্তমানে তাদের হাতে জিম্মি। হাসপাতালের সব জায়গায় এদের অবাধ বিচরণ। হাসপাতালের গেট, জরুরী বিভাগ, অপারেশন থিয়েটার, আউটডোর কোথায় নেই এরা?
জানা যায়, নরসিংদী জেলার তৎকালীন ১০ লক্ষ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে ১৯৯৫ সালের ২০ জুন াত্র হাসপাতালটি স্থাপন করা হয়। তৎকালীন মন্ত্রী আব্দুল মান্নান ভূইয়া এ হাসাপাতালের উদ্বোধণ করেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নরসিংদী জেলা হাসপাতালে ৩ শ্রেণির দালাল চক্র কাজ করে। একটি চক্র হাসপালালে রোগি এলেই হামলে পড়ে। তাদের কাজই হচ্ছে রোগি ভাগিয়ে ভাল চিকিৎসার নাম করে বেসরকারী ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া। অপর চক্রটি হাসপাতালের বহিঃবিভাগে বিভিন্ন ডাক্তারদের কক্ষের বাহিরে অবস্থান নেয়। রোগিরা ডাক্তারের কক্ষ থেকে বের হয়ে আসার পর তাদের হাত থেকে ¯ি¬পটি ছিনিয়ে নিয়ে দেখে কি কি পরীক্ষা-নিরীক্ষা দিয়েছেন। রোগি ও তাদের আত্মীয়-স্বজনদের কম খরচে ওই পরীক্ষাগুলো করিয়ে দেবেন বলে বাগিয়ে নিয়ে যান বিভিন্ন কিèনিক ও ডায়াগনোষ্টিক সেন্টার গুলোতে । অথচ ওই পরীক্ষাগুলোই নামমাত্র খরচে হাসপাতাল থেকে করা যায়। আর একটি শ্রেণি যারা জরুরী বিভাগ ও আন্তঃ বিভাগে অবস্থান নেন। তারা মূলত হাসপাতালের বাহিরের বিভিন্ন ওষুধের দোকানের এজেন্ট হিসেবে কাজ করে। কোন রোগির ওষধ প্রয়োজন হলে তারাই দৌড়ে-যাপ্টে ওষুধ এনে দেন। টাকার কথা বললে বলা হয় ‘দিয়েন এক সাথে। এখনতো আর চইল্যা যাইতাছেন না।’ রোগি বা তাদের আত্মীয়-স্বজনরা বাকীতে ওষুধ পাওয়ার সুবিদা ভোগ করতে চুপ হয়ে যান।
এই সকল দালাল চক্র কোন না কোন প্রাইভেট ক্লিনিক, ডায়াগনোষ্টিক সেন্টারে ও ফার্মেসীর কমিশন এজেন্ট হিসেবে কাজ করে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে নরসিংদী জেলা হাসপাতালের চার পাশে ব্যাঙের ছাতার মত গজিয়ে উঠা এই সকল প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনোষ্টিক সেন্টারগুলোর মালিকানার ক্ষেত্রে হাসপাতালের কোন না কোন ডাক্তার-নার্স, কর্মকর্তা কর্মচারী জড়িত রয়েছেন। তারাই ওই সকল দালালদের নিয়োগ করেছেন। তাদের মদদের ফলে দালালরা হয়ে উঠেছে আরো বেশী বেপরোয়া। হাসপাতালে ভর্তিসহ চিকিৎসা করাতে হয় তাদের মাধ্যমেই। যে কোন অপারেশনের ক্ষেত্রেও রোগী বা তার আত্মীয় স্বজনদের চুক্তিবদ্ধ হতে হয় দালালদের সঙ্গে। অপারেশন থিয়েটারের সামনে দাঁড়িয়ে থাকে এরা। অপারেশনের সময় প্রয়োজনীয় ওষুধও দালালদের পছন্দের দোকান থেকে বেশি দামে কিনতে হয়।
দূর দূরান্ত থেকে আসা অসহায় রোগীরাই মূলত তাদের শিকার। সংঘবদ্ধ দালালদের বিরুদ্ধে অনেকেই প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। অধিকাংশ দালাল হাসপাতালের কর্মচারী না হয়েও কাজ করে কর্মচারীর মতো। কাজ শেষে তারা টাকা দাবি করে। তাছাড়া কোন জখমী হাসপাতালে ভর্তি হলে দালাল ছাড়া সার্টিফিকেট প্রদান হয় না বলেও অভিযোগ রয়েছে।
দীর্ঘ ৩ মাস যাবৎ এক্স-রে অপারেটর না থাকায় বহিঃ বিভাগ কিংবা আন্তঃ বিভাগে কোন রোগিকে ডাক্তাররা এক্স-রে পরামর্শ দিলে, রোগি এবং তার আত্মীয় স্বজনরা এক্স-রে রুমের সামনে এসে তালাবদ্ধ দেখতে পায়। রোগিদের হাতে পরামর্শ স্লিপ দেখতে পেয়েই সেখানে দাড়িয়ে থাকা দালালরা হুমড়ি খেয়ে পড়ে। বর্তমানে পুরুষদের চেয়ে নারী দালালের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এদিকে জেলা সিভিল সার্জন’র কার্যালয় জেলা প্রশাসনের সহায়তায় মাঝে মধ্যে দালালদের ধরতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করলেও এই দালাল চক্র থাকে ধরা ছোয়ার বাইরে। কেননা আগ থেকেই মোবাইল কোর্টের বিষয়টি তারা জেনে যায়।
এছাড়াও হাসপাতালটিতে ই.সি.জি মেশিন থাকলেও অপরেটরের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে মেশিনটি অকেজো হয়ে পড়ে আছে।
হাসপাতালের আন্তঃ বিভাগের চিত্র আরো করুন। কোন রোগিকে ডাক্তার ভর্তির পরামর্শ দিলে রোগি ও আত্মীয় স্বজনরা ওই ওয়ার্ডে গিয়ে কাগজপত্র জমাদিলে তাদেরকে বিছানা দেখিয়ে দেওয়া হলেও তার উপর মেলেনা চাদর ও বালিশ। বিছানার চাদর ও বালিশ চাইতে গেলে নেই বলে ছাফ জানিয়ে দেয়া হয়। তবে ওয়ার্ড বয়দের হাতে ৫০/১০০ টাকা গুজে দিলেই মিলে চাদর ও বালিশ। যারা এই পদ্ধতি জানেনা অজ্ঞতায় ময়লা-নোংরা বিছানার উপরই শুইয়ে দেয়া হয় তাদের রোগিদেরকে। কোন কোন রোগির বাড়ী কাছে থাকলে বাড়ী থেকে চাদর ও বালিশ এনে ব্যবহার করে। বিছানা গুলোর এমনই করুন অবস্থা সুস্থ লোক এখানে এলেই অসুস্থ হয়ে উঠবে। তেলাপোকা আর ছাড়পোকায় বিছানা গুলোতে বাসা বেঁধে রেখেছে। বিছানায় শোয়ার পর রোগির শরীরে তেলা পোকা হাটাহাটি শুরু করে দেয়, অপরদিকে ছাড়পোকায় কামড়িয়ে সাড়া শরীর ফুলিয়ে তুলে। এছাড়া প্রতিটি বিছানার নিচে ময়লা ফেলার জন্য বাটি/রোল দেবার কথা থাকলেও তা দেয়া হয় না। ৫/৬ টি বিছানা পরপর মিলে একটি বাটি। ফলে দূরদুরান্ত থেকে আসা অসচেতন রোগি এবং তাদের আত্মীয়-স্বজনরা অনেক সময় মেঝেতেই ময়লা আবর্জনা ফেলে দেয়। এই আবর্জায় এসে মশা-মাছিরা বসে এবং পরবর্তীতে এরা বিভিন্ন রোগ জীবানু ছড়ায়।
নরসিংদী সিভিল সার্জন ডাঃ সুলতানা রাজিয়া হাসপাতালগুলোতে দালালদের অবাধ বিচরণের কথা স্বীকার করে বলেন, দালালরা স্থানীয় এবং প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় থেকে দালালী করার কারনে বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত রোগীরা সঠিক চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেনা। অপর দিকে হাসপাতাল গুলোর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাদেরকে কিছু বলতে সাহস পায়না। উপরন্ত দালালরা হাসপাতালের চিকিৎসকদেরকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদর্শন করে থাকেন বলেও অভিযোগ রয়েছে । এক্সে অপারেটরের বিষয়টি ডিজি মহোদয়কে অবহিত করা হয়েছে। বিছানার চাদরের বিষয়টা আমরা দেখব। যারা এ কাজে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

# এলবি

follow and like us:
0

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ পড়ুন

প্রয়োজনে ফোন করুন- ০১৭১৩৮২৫৮১৩

শাহিন আইটির একটি অঙ্গ-প্রতিষ্ঠান