| ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং | ৬ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২০শে মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী | শনিবার

এলাকার আধিপত্ব বিস্তার ও তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে ব্যাপক ভাংচুর, আহত ২০,আটক ৬

লক্ষন বর্মন, নরসিংদী : এলাকার আধিপত্ব বিস্তার ও তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে নরসিংদীর ডাঙ্গায় অর্ধশতাধিক বাড়ি-ঘরে হামলা ও ব্যাপক ভাংচুর চালিয়েছেন যুবলীগ নেতাকর্মীরা। অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করা হয়েছে বেশ কয়েকটি বাড়ি-ঘরে। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কয়েক কোটি টাকার। এসময় প্রতিপক্ষের হামলায় ও প্রাণ বাঁচাতে পালানোর সময় নারী-পুরুষ সহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে। এঘটনায় ৬জনকে আটক করা হয়েছে পুলিশ। আজ বুধবার দুপুরে পলাশ উপজেলা ডাঙ্গা ইউনিয়নের কেন্দুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ডাঙ্গা ইউপি সদস্য বাদল মিয়ার সাথে ডাঙ্গা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দেলু দন্ধের জের ধরে ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ। স্থানীয়দের অভিযোগ যুবলীগের সভাপতি দেলুয়ার সন্ত্রাসী কর্মকান্ড, ভুমি জবর দখলের সাথে সরাসড়ি সম্পৃক্ত। তার বিরুদ্ধে হত্যা,চাঁদাবাজি,জমি দখল সহ অস্ত্র আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। স্থানয়ী এমপির আর্শিবাদপুষ্ট হওয়ায় দিন দিন বেপরোয় হয়ে উঠেছে যুবলীগের এই নেতা ।
পুলিশ ও স্থানয়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এলাকার আধিপত্ব ও দলীয় নেতৃত্বক কেন্দ্র করে নরসিংদী পলাশ উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নের যুবলীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দেলু ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মো: বাদল মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ দন্ধ চলে আসছে। এরই জের ধরে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে উত্তজনা বিরাজ করে আসছিল। এরই মধ্যে পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করেন ্ঈদের আগের দিন যুবলীগ সভাপতির সমর্থক বিল্লাল হোসেন ইউপি সদস্য বাদলের সমর্থক নূরুদকে বেধরক পিটুনি দেয়। পরে নুরুদের ভাই ইসমাইল বিল্লালকে চর থাপ্পর মারে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ইউনিয়ন যুবলীগের সভপতি সমর্থকরা ও স্থানীয় যুবলীগের সাধারন সম্পাদক সেলিম নেতৃত্বে ইসমাইল ও কামালের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে ও বাড়ি ঘরে হামলা চালানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনান্থল পরিদর্শনে গেলে স্থানীয়রা যুবলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। এতে আরো ক্ষিপ্ত হয় যুবলীগ নেতারা।
এরই জের ধরে আজ বুধবার দুপুরে যুবলীগের সাধারন সম্পদক সেলিম ও যুবলীগ সভপতি দেলুর শ্যালক বাবুর নেতৃত্বে দুই-তিন শতিধিক লোক জন রাম দা,চাইনিজ কুরাল ও আগ্নেয়াস্ত্র সহ কেন্দুয়া গ্রামে ইউপি সদস্য বাদল মিয়া বাড়িতে হামলা চালায়। এসময় প্রতিপক্ষরা বাদলের সমর্থক ফজলুল হক, শাহ আলম, মনির হোসেন, আরজু মিয়া, ইমান আলী, ছানা উল্লাহ, নারগিস মেম্বারনী, নুরুজ্জামান, মিস্টার লাল মিয়া, এরশাদ, ইদ্রিস আলী, হারুন মিয়ার বাড়ি সহ কমপক্ষে অর্ধশতাধিক বাড়ি ঘরে ব্যাপক ভাংচুর চালায়। অগ্নিসংযোগ করা হয় ইসমাইলের বাড়িতে। এসময় সন্ত্রাসীতের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ইসমাইলের মা সাফিয়া বেগম,হাতেম মিয়া,আরহান গুরুত্বর আহত। এসময় প্রতিপক্ষরা বাড়িতে থাকা নগট টাকা,স্বর্নালঙ্কার,মোবাইল ফোন সহ মূলবান জিনিসপত্র লুটপাট করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

সময় বাচাঁতে ঘরে বসে কেনা-কাটা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *