| ১৮ই আগস্ট, ২০১৯ ইং | ৩রা ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৬ই জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী | রবিবার

কোটি টাকার আত্মসাতের অভিযোগে মনোহরদী উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

লক্ষন বর্মন, নরসিংদী প্রতিদিন, বুধবার,১৬ মে ২০১৮ : নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম খান বীরু সহ দুই জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট (সিএমএম) আদালত এ আদেশ জারি করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদি পক্ষের আইনজীবি সাহাদাত হোসেন ফকরুল।

মামলার এজাহার ও তদন্ত কর্মকর্তার আদালতে দাখিলকৃত তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, মেসার্স মিয়াজ ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস রিক্রুটিং এজেন্সির মালিক মিয়াজ উদ্দিন ভূঁইয়া। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে জনশক্তি রপ্তানির ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। ব্যবসা পরিচালনাকালে উপজেলা চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম খান বীরুর মাধ্যমে মনোহরদীর পাঁচকান্দি এলাকার মোখলেছুর রহমান লিবিয়ার ৩৮০টি ভিসা আদান-প্রদান সংক্রান্ত একটি ব্যবসায়ীক চুক্তি করেন।

চুক্তি মোতাবেক মোখলেছুর রহমান ২০১৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত উপজেলা চেয়ারম্যানকে অবহিত করে মিয়াজ উদ্দিন ভূঁইয়া বিভিন্ন সময় মোখলেছুর রহমানকে মোট ১ কোটি ১৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা দেন। পরবর্তীতে লিবিয়ায় কর্মী নেওয়া কার্যক্রম স্থগিত হয়ে গেলে মিয়াজ উদ্দিন উপজেলা চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম খান ও মোখলেছুর রহমানের কাছে টাকা ফেরত চাইলে টালবাহানা করেন। এই মর্মে বিবাদীগনকে উকিল নোটিশও পাঠানো হয়। কিন্তু তাতে কোন কাজে আসেনি। পরবত্তীতে মিয়াজ উদ্দিন ভূঁইয়া বাদি হয়ে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত তদন্তের জন্যে সংশ্লিষ্ট থানাকে নির্দেশ প্রদান করেন।

পরে তদন্তকারী কর্মকতা আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন প্রতিবেদন দাখিল করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার আদালতের বিজ্ঞ বিচারক উপজেলা চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম খান বীরু ও মোখলেছুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম খান বীরু সাংবাদিকদের বলেন, আমি তো কারও সঙ্গে লেনদেন করিনি। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এই মামলায় আমাকে জড়ানো হয়েছে।’ ‘মিয়াজ টুরস্ অ্যান্ড ট্রাভেলসের মালিক মিয়াজ উদ্দিনের সঙ্গে পাঁচকান্দি এলাকার মোখলেছুর রহমানের লিবিয়ার ভিসা সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেন হয়েছে। এতে আমাকে মৌখিকভাবে একবার স্বাক্ষী রেখেছিল।
মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফখরুদ্দীন ভূইয়া বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। গ্রেপ্তারি পরোয়ানার কোন কাগজপত্র আমার হাতে এখনো আসেনি।’

সময় বাচাঁতে ঘরে বসে কেনা-কাটা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *