1. nahidprodhan143@gmail.com : নরসিংদী প্রতিদিন : নরসিংদী প্রতিদিন
  2. khandakarshahin@gmail.com : Breaking News : Breaking News
  3. laxman87barman@gmail.com : laxman barman : laxman barman
  4. narsingdipratidin.mail@gmail.com : narsingdi :
  5. news@narsingdipratidin.com : নরসিংদী প্রতিদিন : নরসিংদী প্রতিদিন
  6. msprovat@gmail.com : ms provat : ms provat
  7. hsabbirhossain542@gmail.com : সাব্বির হোসেন : সাব্বির হোসেন
  8. subeditor@narsingdipratidin.com : Narsingdi Pratidin : Narsingdi Pratidin
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০২:০৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
নরসিংদীতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা পাওনা টাকার বিরোধে টেঁটাবিদ্ধ হয়ে নিহত ২ ভুয়া দলিলে ‘জমি বিক্রি’ করতেন তারা আন্তর্জাতিক কোরআন তেলাওয়াতে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশি ইলমান কলেজ ক্যাম্পাসে ‘অকারণে’ প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা! এইচএসসি পরীক্ষা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত শিগগিরই: শিক্ষামন্ত্রী নরসিংদীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত জিএমপি’তে নতুন কমিশনারের যোগদান প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে নরসিংদী সরকারী কলেজ শাখা ছাত্রলীগের বৃক্ষরোপন লোভনীয় অফার: বিকাশে টাকা নিয়ে পণ্য দিত না তারা



ফলাফল বিপর্যয় শিক্ষকদের দায়িত্বহীনতা ও অভিভাবকদের অসেচনতায় বাড়ছে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের সংখ্যা,উদ্বেগে অভিভাবক ও শিক্ষাবিদরা

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিত বৃহস্পতিবার, ২৬ জুলাই, ২০১৮

লক্ষন বর্মন, নরসিংদী প্রতিদিন, ২৬ জুলাই বৃহস্পতিবার ২০১৮: ঐতিহ্য হারাচ্ছে নরসিংদীর সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠগুলো। এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় জেলার বেসরকারি কলেজগুলো চোখ ধাঁধানো ফলাফল অর্জন করলেও নরসিংদীর সরকারি কলেজগুলোতে ফলাফল চরম বিপর্যয় ঘটেছে। আশংকাজনক হারে বেড়েছে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীর সংখ্যা, সেই সঙ্গে কমেছে জিপিএ-৫। এতে হতাশা হয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ। শিকদের গাফিলতি, দায়িত্বহীনতা,নিয়মিত কাস না নেয়া ও অভিভাবকদের অসেচনতার কারণে শিার্থীরা ভালো ফলাফল অর্জন করতে পারেনি বলে অভিমত পোষণ করেছেন শিাবিদরা।

নরসিংদী জেলার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ নরসিংদী সরকারি কলেজ। শুধু জেলার নয় পাশ্ববর্তী বিভিন্ন জেলার ২০ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যায়ন করছে কলেজটিতে। এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় কলেজটি থেকে ২ হাজার চারশত পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে অনুত্তীর্ণ হয়েছে ৬৭৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ২৪ জন। অথচ ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী এসএসসিতে জিপিএ ৫ নিয়ে এ্ই কলেজে ভর্তি হয়েছিল।

একই অবস্থা জেলার অন্য দুটি সরকারি কলেজ নরসিংদী সরকারি মহিলা কলেজ ও শিবপুর সরকারি শহীদ আসাদ কলেজের। নরসিংদী সরকারি মহিলা কলেজ থেকে এক হাজার ১৪ জন শিার্থী পরীায় অংশ নিয়ে অনুত্তীর্ণ হয়েছে ৫০১ জন। এবার এ প্রতিষ্ঠানটি থেকে কেউ জিপিএ ৫ পায়নি। আর শিবপুর সরকারি শহীদ আসাদ কলেজ থেকে এক হাজার ৫২১ জন শিার্থী পরীায় অংশ নিয়ে অনুত্তীর্ণ হয়েছে এক হাজার ৯৭ জন। অর্থাৎ এ কলেজের বেশির ভাগ শিার্থীই অকৃতকার্য হয়েছে। সরকারি কলেজগুলোর এমন ফলাফল ধসে বিব্রত অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীরা। এজন্য তাঁরা সরকারী কলেজের শিক্ষকদের পাঠদানে গাফিলতি, নিয়মিত কাস না নেয়া এবং শ্রেণীকক্ষে শিক্ষার্থীদের অনাগ্রহ ও অনুপস্থিতিকে দায়ী করেছেন।

কলেজ সূত্রে জানা গেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে যতগুলো পরীক্ষাই হয় প্রত্যেকটিই এই কলেজ গুলোতে হয়ে থাকে। আর নরসিংদী সরকারী কলেজ হচ্ছে এর মধ্যে অন্যতম। নরসিংদী সরকারী কলেজে জাতীয় বিশ্ব বিদ্যালয়ের অধিভুক্ত পরীক্ষাগুলো ছাড়াও এ কলেজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের পি-টেষ্ট, টেষ্ট সহ অন্যাস্য পরীক্ষাগুলো এখানেই হয়ে থাকে। যার কারনে এই কলেজে শিক্ষার্থীদের তেমন ভাবে পাঠদানের সুযোগ হয়ে উঠে না। আর নরসিংদী সরকারী মহিলা কলেজের চিত্রও প্রায় একই রকম। কিন্তু নরসিংদী সরকারী কলেজের তুলনায় মহিলা কলেজে পরীক্ষার চাপ কম থাকলেও তেমন ভাবে পাঠদান হচ্ছে না নরসিংদী সরকারী মহিলা কলেজে। তবে শিবপুর সরকারি শহীদ আসাদ কলেজের চিত্র একটু ভিন্ন। সেই কলেজটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা না হলেও সঠিক ভাবে পাঠদান করছেন শিক্ষকরা।
নরসিংদী সরকারী কলেজের শিক্ষার্থী রাকিবুল ইসলাম বলেন, কলেজে নিয়মিত কাস হয়না। ছাত্ররা আসে আর যায়। শিক্ষকরাও কাস নেয়ার ব্যাপারে আন্তরিক নয়। পাঠদানও ভালো হয়না। তাই অধিকাংশ শিক্ষার্থী কাসে যায় না।

ফলাফল বিপর্যয়ের খবরে হতাশ দ্বাদশ শ্রেনীর অভিবাকরা। অভিবাবক হারুন মিয়া বলেন, অতন্ত্য সুনাম ধন্য ছিল এই কলেজটি। আমি পড়েছি, আমার বাবা দাদারাও পড়েছে। এখন ছেলে মেয়েদের পড়তে পাঠিয়েছি। কিন্তু ফলাফল এমন হলে আমাদের সন্তানদের ভবিষৎ কি হবে।

নরসিংদী সরকারি কলেজ ও সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা মিয়া বলেন, প্রকৃত শিক্ষাদান ও ভাল ফলাফল অর্জনে নরসিংদীর সরকারি কলেজগুলো পিছিয়ে পড়ছেন। এর প্রধান কারন শিক্ষার্থীদের কাস বিমুখ হওয়া। নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হওয়া। এ থেকে মুক্তিপেতে শিক্ষার্থীদের আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে কাসমুখী করতে হবে। একই সাথে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রয়োজন।
ফলাফল বিপর্যয়ের কথা স্বীকার করে নরসিংদী সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, অবকাঠামো, শিক্ষক স্বল্পতা ও বিভিন্ন পরীক্ষার কারণে পাঠদান ব্যাহত হওয়াই ফলাফল বিপর্যয় হয়েছে।

তবে সরেজমিনে কলেজে গিয়ে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। শ্রেণীকক্ষগুলোতে শিক্ষার্থীদের স্থান সংকুলন না হওয়ার দাবী করলেও উল্টো চিত্র দেখা গেছে শ্রেণীকক্ষগুলোতে। সেখানে গিয়ে তেমন কোন শিক্ষার্থীই শ্রেণীকক্ষ গুলোতে দেখা যায়নি ।

#

follow and like us:
0

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ পড়ুন
শাহিন আইটির একটি অঙ্গ-প্রতিষ্ঠান