| ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ইং | ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ১৮ই জমাদিউস-সানি, ১৪৪০ হিজরী | রবিবার

জেএসসি গণিত : তত্ত্ব ও সূত্রাবলি ভালোভাবে জানতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক* নরসিংদী প্রতিদিন,রবিবার, ০৪ নভেম্বর ২০১৮:
অনেক সময় পাঠ্য বইয়ের পরিচিত বা জানা অংক ফিগার পরিবর্তন করে প্রশ্নে থাকতে পারে। তাই ভালোভাবে প্রশ্নের ফিগার দেখে বুঝে-শুনে অংক করবে

সৃজনশীল প্রশ্ন
১১টি সৃজনশীল প্রশ্ন থাকবে, ৭টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। পরীক্ষায় পাটিগণিত (প্যাটার্ন, মুনাফা ও পরিমাপ) অংশ থেকে ৩টি, বীজগণিত থেকে ৩টি, জ্যামিতি থেকে ৩টি এবং পরিসংখ্যান থেকে ২টি করে প্রশ্ন থাকবে।
বীজগণিতীয় সূত্রাবলি ও প্রয়োগ, বীজগণিতীয় ভগ্নাংশ ভালোভাবে করলে ২টি প্রশ্ন কমন পাবে। সেট থেকে সৃজনশীল প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা কম। জ্যামিতির ক্ষেত্রে চতুর্ভুজ ও বৃত্ত থেকে ২টি প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা বেশি।

বহু নির্বাচনী প্রশ্ন
৩০টি বহু নির্বাচনী প্রশ্ন থাকবে। পাটিগণিত থেকে ১০টি, বীজগণিত থেকে ১০টি, জ্যামিতি থেকে ৮টি এবং পরিসংখ্যান থেকে ২টি করে মোট ৩০টি প্রশ্ন থাকবে।
পরিসংখ্যানের সৃজনশীল প্রশ্নের জন্য পাইচিত্র, আয়তলেখ, গড়, প্রচুরক ও মধ্যক ভালোভাবে দেখবে।

পরামর্শ
১. প্রতিটি অধ্যায়ের তত্ত্ব ও সূত্রাবলি ভালোভাবে জানতে হবে। আগে তত্ত্ব ও সূত্র জেনে এরপর অংক করলে বুঝতে সহজ হবে।
২. পরীক্ষায় আসতে পারে এ ধরনের অংকগুলো বাছাই করে সেগুলো বেশি বেশি করে বাসায় চর্চা করতে হবে।
৩. যে অধ্যায়ের অংকগুলো কঠিন লাগে, সে অধ্যায়ের অংকগুলো বেশি বেশি করে করতে হবে। ৪. অংক চর্চার জন্য দিন বা রাতের এমন সময় বাছাই করতে হবে, যখন মাথা খুব ঠাণ্ডা থাকে, একঘেয়ে লাগে না; বিশেষ করে ভোরের দিকে।

পরীক্ষার আগের রাতে
১. পরীক্ষার আগের রাতে খুব বেশি অংক না করাই ভালো। অনেক রাত জেগে পড়ার কারণে পরীক্ষার সময় ক্লান্তি অনুভব হতে পারে এবং স্মরণশক্তিও কমতে পারে। নতুন কোনো অধ্যায় শুরু না করে পুরনো অংকগুলো একবার করে দেখে যাবে। অংকের সূত্রগুলো ভালোভাবে মুখস্থ করতে হবে।
২. পরীক্ষার সময় প্রয়োজনীয় কলম, পেনসিল, সাইন পেন, স্কেল, ক্যালকুলেটর, প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ডসহ অনুমোদিত অন্য সরঞ্জাম মনে করে আগের দিন রাতেই গুছিয়ে রাখবে।

পরীক্ষার হলে করণীয়
১. প্রশ্ন পাওয়ার পর প্রথমে পুরো প্রশ্নটা ভালো করে পড়ে নেবে। এরপর যে অঙ্কগুলো সবচেয়ে বেশি নির্ভুলভাবে করতে পারবে, সেগুলো আগে দেবে।
২. কোনো একটা অংক ভুল হয়ে গেলে বা মনে না পড়লে সে অংকটা নিয়ে পড়ে না থেকে বাকি অংকগুলোর দিকে মন দেবে। পরীক্ষার শেষ দিকে আবার সেই অসম্পূর্ণ অংক করার চেষ্টা করবে।
৩. অনেক সময় পাঠ্য বইয়ের পরিচিত বা জানা অংক ফিগার পরিবর্তন করে প্রশ্নে থাকতে পারে। তাই ভালোভাবে প্রশ্নের ফিগার দেখে বুঝে-শুনে অংক করবে।
৪. প্রতিটি অংকের সমাধান শেষে এককসহ (যদি প্রযোজ্য হয়) উত্তর লিখতে হবে।
৫. সময় বণ্টন করে উত্তর দিতে হবে। প্রতিটি অংকের শুরুতে কত ক্রমিক নম্বর প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছ, তা উল্লেখ করতে হবে।
৬. বীজগণিতের অংক ঠিকঠাক নিয়মে করার পরও শিক্ষার্থীরা অনেক সময় বেখেয়ালে ভুল চিহ্ন (যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ) দিয়ে ফেলে।
এ ব্যাপারে সতর্ক থাকবে।
৭. পরীক্ষা শেষ হওয়ার অন্তত ১৫ মিনিট আগে পরীক্ষা শেষ করে ভালো করে এক বা একাধিকবার রিভিশন দেবে।

সরওয়ার হোসেন
সিনিয়র শিক্ষক, সাতারকুল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা।

সময় বাচাঁতে ঘরে বসে কেনা-কাটা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *