| ২২শে এপ্রিল, ২০১৯ ইং | ৯ই বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৬ই শাবান, ১৪৪০ হিজরী | সোমবার

নিউজিল্যান্ডে বাড়ছে লাশের সংখ্যা, নিহত বেড়ে ৪৯

ছবি : সংরক্ষিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | নরসিংদী প্রতিদিন-
শুক্রবার, ১৫ মার্চ ২০১৯:
নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে দুটি মসজিদে জুমার নামাজের সময় সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৯ জনের নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। দেশটির পুলিশের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নিউজিল্যান্ডের প্রতিবেশি দেশ অস্ট্রেলিয়ার একজন চরমপন্থীর নেতৃত্বে এ হামলার ঘটনাটি ঘটেছে।

শুক্রবারের ভয়াবহ ওই হামলায় ২০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তবে আহতদের মধ্যে একজন হামলাকারীও রয়েছে। এএফপি বলছে, পশ্চিমা কোনো দেশে মুসলিমদের বিরুদ্ধে এই হামলার ঘটনা সবচেয়ে ভয়াবহ। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, খুব কাছ থেকে হামলাকারীরা মানুষদের গুলি করে হত্যা করে।

ক্রাইস্টচার্চের ডিনস এভিনিউয়ের অবস্থিত মসজিদ আল নুর ও লিনউড এভিনিউয়ের লিনউড মসজিদে হামলার ঘটনায় চারজনকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন নারী এবং তিনজন পুরুষ। স্থানীয় পুলিশ কমিশনার মাইক বুশ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ কমিশনার মাইক বুশ বলেন, ‘ডিনস এভিনিউর আল নূর মসজিদে ৪১ জন এবং লিনউড এলাকার অন্য মসজিদে সাতজন নিহত হয়েছেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজন মারা গেছেন।’ নিহতদের মধ্যে দুইজন বাংলাদেশি বলে জানা গেছে।

নিউ প্লাইমাউথে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী জেসিনডা আরডার্ন ক্রাইস্টচার্চে হামলার ঘটনাকে নিউজিল্যান্ডের জন্য একটি অন্ধকার দিন উল্লেখ করে এই হামলাকে চরম এবং নজিরবিহীন সহিংসতা বলেছেন। তিনি বলেছেন, ‘এটা আমাদের কাছে স্পষ্ট যে, এই হামলাকে একমাত্র সন্ত্রাসী হামলা বলেই অভিহিত করা যায়।’

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী জেসিনডা আরডার্ন আরও বলেন, ‘এই মুহূর্তে হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত করে বলার মতো পরিস্থিতিতে আমি নেই। এটাই হয়তো নিউজিল্যান্ডের জন্য সবচেয়ে খারাপ একটি দিন।’

হামলার ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজন অস্ট্রেলীয় নাগরিক বলে উল্লেখ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। তিনি ওই হামলাকারীকে ‘চরম ডানপন্থি সহিংস সন্ত্রাসী’ বলে উল্লেখ করেছেন। নিউজিল্যান্ডের মসজিদে ভয়াবহ ওই হামলার নিন্দা জানিয়েছেন মুসলিম বিশ্বের নেতারা।

স্থানীয় গণমাধ্যমকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হামলার পর তারা জীবন বাঁচাতে সেখান থেকে পালিয়ে যান। আল নুর মসজিদের মেঝেতে বহু মানুষের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখার কথাও জানিয়েছেন তার।

ইতোমধ্যেই লিনউড মসজিদ থেকে সবাইকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়েছে। দুই মসজিদে হামলার ঘটনায় বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন পুলিশ কমিশনার মাইক বুশ।

সময় বাচাঁতে ঘরে বসে কেনা-কাটা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *