| ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৯শে মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী | বৃহস্পতিবার

স্বজনদের পাশে বসিয়ে ঈদের খাবার খেলেন খালেদা জিয়া

নিউজ ডেস্ক | নরসিংদী প্রতিদিন-
বুধবার, ৫ জুন ২০১৯:
কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঈদের খাবার খেয়েছেন। স্বজনদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কুশল বিনিময়ও করেছেন তিনি।

বুধবার (৫ জুন) দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের ৬২১ নম্বর কক্ষে চিকিৎসাধীন বেগম জিয়া প্রায় দুই ঘণ্টা স্বজনদের সঙ্গে সময় কাটান।

স্বজনরা বেগম জিয়ার জন্য পোলাও, মুরুগির রোস্ট, রেজালাসহ বিভিন্ন মাছ ভাজা নিয়ে যান। সঙ্গে ছিল দুধ-সেমাই ও মিষ্টি। প্রত্যেকেই দেশনেত্রীর হাতে গোলাপের তোড়া দিয়ে ঈদ শুভেচ্ছা জানান।

খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে স্বজনদের মধ্যে ছিলেন- খালেদা জিয়ার বড় বোন সেলিনা ইসলাম, বোন জামাই অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, ভাইয়ের বউ নাসরিন ইস্কান্দার, ভাতিজা অভিক ইস্কান্দার, ভাগ্নে সাইফুল ইসলাম ডিউকের মেয়ে তামান্না হক, তারেক রহমানের শ্বাশুড়ি সৈয়দা ইকবাল বানু এবং তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের বোন।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাবন্দি হওয়ার পর এ নিয়ে টানা তিনটি ঈদে কারাগারেই কাটাতে হচ্ছে ৭৪ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে। এরইমধ্যে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ১ এপ্রিল থেকে চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে অবস্থান করছেন বিএনপি চেয়ারপাসন। বন্দিদশায় এবার হাসপাতালেই ঈদ করছেন তিনি।

অন্যান্য বছর ঈদের দিন বিএনপির শীষ পর্যায়ের নেতারা বেগম জিয়ার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেও এবার অনুমতি চেয়েও অনুমতি মেলেনি। এবার ঈদে খালেদা জিয়ার পরিবারের শুধু ৭ জন নিকটাত্মীয়কে তাঁর সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।

বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, স্বজনরা দুপুর পৌনে ১টার দিকে হাসপাতালে প্রবেশ করে খালেদা জিয়ার সঙ্গে প্রায় ২ ঘণ্টা সময় কাটিয়ে বিকেল পৌনে ৩টার দিকে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যান।

এ নিয়ে সুদীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে পঞ্চমবারের মতো কারাগারে ঈদ করতে হলো বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে।

সময় বাচাঁতে ঘরে বসে কেনা-কাটা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *