| ২০শে জুলাই, ২০১৯ ইং | ৫ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৬ই জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী | শনিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক | নরসিংদী প্রতিদিন-
বুধবার, ১৯ জুন ২০১৯:
বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক
মাধবদীতে শহিদ উল্লাহ নামে এক মুক্তিযোদ্ধা কর্তৃক মৃত ছোট ভাইয়ের পরিবারকে কাঁটাগাছের বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার ৪দিনের মাথায় গতকাল মঙ্গলবার মাধবদী থানা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের উদ্যোগে স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় অবরুদ্ধ পরিবারকে উদ্ধার করা হয়। মাধবদী পৌর শহরের আলগী মনোহরপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, আলগী মনোহরপুর এর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ উল্লাহর জায়গায় তারই আপন ছোট ভাই মৃত আহসান উল্লাহর পরিবার কর্তৃক পানি ফেলাকে কেন্দ্র করে গত শনিবার দুই পরিবারের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয় । একপর্যায়ে ঘটনাটি হাতাহাতি পর্যন্ত গড়ায়। আহসান উল্লাহর স্ত্রী ও মেয়ে আহত হয়। একই দিন বিকেলে শহীদ উল্লাহ কাটা গাছের বেড়া দিয়ে তার ছোট ভাইয়ের পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখে। তিন দিন অবরুদ্ধ থাকার পর খবর পেয়ে মঙ্গলবার(১৮ জুন) মাধবদী থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ আল-আমিন সরকার ও সাধারণ সম্পাদক খন্দকার শাহিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মাধবদী থানা পুলিশকে ঘটনাটি অবহিত করে। পরে মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু তাহের দেওয়ান এর নির্দেশে এসআই রহমত উল্লাহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলের কাঁটাগাছ তুলে ফেলেন। এসময় সাথে ছিলেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কাউন্সিল নরসিংদী জেলা শাখা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক, মাধবদী থানা প্রেসক্লাবের আইন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল হান্নান মানিক ও মাধবদী থানা প্রেসক্লাবের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক দৈনিক ভোরের পাতার মাধবদী প্রতিনিধি মোঃ আব্দুল কুদ্দুস।
এলাকাবাসী নরসিংদী প্রতিদিনকে জানান শহীদুল্লাহ তার মুক্তিযোদ্ধার পরিচয় কে ব্যবহার করে ছোট ভাইয়ের পরিবারের প্রতি অনেকদিন যাবত অবিচার করে আসছিল। এলাকার কোন জনপ্রতিনিধির নির্দেশনাই তিনি মানেন না। এ ঘটনার পর পরই এলাকার বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তি এর সমাধান করতে চাইলে তিনি তাঁদের কথা আমলে নেননি।
এদিকে এই ঘটনায় এলাকাবাসী সন্তোষ প্রকাশ করে জানান তুচ্ছ ঘটনায় মৃত ছোট ভাইয়ের পরিবারকে এভাবে অবরুদ্ধ করে রাখা চরম অমানবিকতার শামিল । এ সময় তারা এরূপ ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে সে আশাবাদ ব্যক্ত করে তারা মাধবদী থানা প্রেসক্লাবের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

সময় বাচাঁতে ঘরে বসে কেনা-কাটা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *