| ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং | ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২৩শে জমাদিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরী | মঙ্গলবার

পলাশে মাসব্যাপী কম্পিউটার প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ

সাইদুল ইসলাম মাছুম | নরসিংদী প্রতিদিন-
রবিবার, ৩০ জুন ২০১৯:
নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরাধীন ‘টেকনোলজি এমপাওয়ারমেন্ট সেন্টার অন হুইলাস ফর আন্টারপ্রিভিলেজড রুরাল ইয়ং পিপল অব বাংলাদেশ (টেকাব)’ শীর্ষক কারিগরি সহায়তা প্রকল্পের ভ্রাম্যমান কম্পিউটার ভ্যানে এক মাসব্যাপী কম্পিউটার প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদপত্র বিতরন অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
৯ জুন থেকে থেকে শুরু হওয়া প্রশিক্ষণটি ৩০ জুন রবিবার শেষ হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করেন জেলা উপ-পরিচালক মোঃ আমির আলী। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, পলাশ উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা- কর্মচারী, প্রশিক্ষক ও শিক্ষার্থী বৃন্দ।

জেলা উপ-পরিচালক মোঃ আমির আলী বলেন, সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এ ভ্রাম্যমান প্রশিক্ষণ এর মধ্যে একটি। আশা করি তোমরা এই প্রশিক্ষণ থেকে অনেক কিছু শিখেছো । যা তোমাদের ভবিষ্যৎ জীবনে অনেক কাজে লাগবে।
প্রশিক্ষক এস.এম.এ. পারভেজ জানান, যুব উন্নয়ন কর্তৃক আয়োজিত (টেকাব) প্রকল্পের ভ্রাম্যমান প্রশিক্ষন এক মাসের কোর্স। এখানে মেয়েদের জন্য সিট থাকে ২০টি এবং ছেলেদের জন্য সিট থাকে ২০টি। যুব উন্নয়ন এর একটি নিয়ম হচ্ছে ১৮ থেকে ৩৫ বছর এর মধ্যে হতে হবে। ছেলেদের এইচ.এস. সি. এবং মেয়েদের এস.এস.সি পাস হতে হবে। আমাদের এখানে কম্পিউটারের বেসিক গুলো শিখানো হয়। যেমন (মাইক্রোসফট ওয়ার্ড,এক্রেল, পাওয়ার পয়েন্ট, ইন্টারনেট ) ইত্যাদি। এবং কারিগরি বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত শিক্ষা সনদ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত সাইফুল ইসলাম পারভেজ বলেন, সরকারের এই উদ্যোগ আমাদের জন্য খুবই গ্রহণ যোগ্য। এই ট্রেনিং থেকে আমরা অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। আমরা জানতে পেরেছি কী ভাবে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল, ও ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হয়। আশাকরি এই প্রশিক্ষন আমাদের ভবিষ্যৎ জীবনকে আরো উজ্জ্বল করবে।
আরেক প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত তুনিয়া আক্তার বলেন, আমরা এখানে কম্পিউটারের অনেক বিষয় সম্পর্কে শিখতে পেরেছি যা আগে জানতাম না। যেখানে বাইরে এই ধরনের কোর্স করলে ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা লাগে, সেখানে আমরা সরকারের এই ধরনের উদ্যোগ গ্রহণের ফলে ফ্রিতে শিখেছি। সরকারের এই ধরনের উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই। আশাকরি সরকারের এই ধরনের উদ্যোগ এর ফলে যুব সমাজ এগিয়ে যাবে, এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।

Print Friendly, PDF & Email

সময় বাচাঁতে ঘরে বসে কেনা-কাটা

Leave a Reply

Your email address will not be published.