| ২০শে জুলাই, ২০১৯ ইং | ৫ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৬ই জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী | শনিবার

নরসিংদীতে অপহৃত মাদ্রাসা ছাত্র উদ্ধার, ৬ অপহরণকারী গ্রেপ্তার

লক্ষন বর্মন। নরসিংদী প্রতিদিন-
সোমবার ৮ জুলাই ২০১৯:
নরসিংদীতে অপহরণের পর বায়েজিদ ইব্রাহিম (১৪) নামে ৮ম শ্রেণির এক মাদ্রাসা ছাত্রকে উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এ সময় ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবীকারী অপহরণকারী চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
অপহরণের শিকার বায়েজিদ শিবপুর উপজেলার ভরতের কান্দি এলাকার ব্যাংক কর্মকর্তা মো: ইলিয়াছের ছেলে ও নরসিংদী শহরের জামেয়া কাসেমিয়া কামিল মাদ্রাসার ৮ম শ্রেণির ছাত্র।
গ্রেফতারকৃতরা হলো- শিবপুরের ভরতেরকান্দি এলাকার শামসুল হকের ছেলে খালেদ মিয়া (২৫), সাধারচর এলাকার নাজমুল হাসানের ছেলে মেহেদী হাসান (২০) দক্ষিণ কারারচর এলাকার বশির মিয়ার ছেলে রানা মিয়া (১৮), দক্ষিণ কারারচর এলাকার বাবুল মিয়ার তাজুল ইসলাম (১৭), পলাশের বক্তারপুর এলাকার আলতাব হোসেনের ছেলে রাশেদুল ইসলাম (২১), বেলাব উপজেলার মরিচাকান্দা এলাকার উত্তম কুমার দাসের ছেলে নয়ন দাস (১৯)।
এ ঘটনায় জড়িত রায়পুরার সাচিয়ামারা (পলাশতলী) এলাকার হারুন মিয়ার ছেলে সৌরভ (২০) নামে আরও একজন পলাতক রয়েছে।

আজ সোমবার (৮ জুলাই) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে নরসিংদীর পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহমেদ এ তথ্য জানান।
পুলিশ সুপার বলেন, গত শনিবার (৬ জুলাই) দুপুরে পরীক্ষা শেষে মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফিরছিলো বায়েজিদ ইব্রাহিম। মাদ্রাসার অদূরে বনবিভাগ এলাকায় পৌঁছলে অপহরণকারীরা বায়েজিদকে জোরপূর্বক একটি প্রাইভেটকারে উঠিয়ে নেয়। পরে তাকে জেলার রায়পুরা, বেলাব, মাধবদী, পলাশসহ বিভিন্ন স্থানে জিম্মি করে আটক রাখে অপহরণকারীরা। ঐদিনই অপহরণকারীরা ফোন করে পরিবারের নিকট ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবী করে অন্যথায় হত্যার পর লাশ গুম করে রাখার হুমকি প্রদান করে।
বিষয়টি পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশ সুপারকে জানানো হলে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক জাকারিয়া আলম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে এ ঘটনায় জড়িত ৬ জনকে গ্রেপ্তার করে এবং অপহৃত ছাত্র বায়েজিদ ইব্রাহিমকে উদ্ধার করা হয়।
অপহরণকারীরা অল্প সময়ের মধ্যে ধনী হওয়ার ইচ্ছে থেকেই পূর্ব পরিকল্পিতভাবে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের পরিকল্পনা করেছিল বলে জানান পুলিশ সুপার।

সময় বাচাঁতে ঘরে বসে কেনা-কাটা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *