| ২০শে জুলাই, ২০১৯ ইং | ৫ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৬ই জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী | শনিবার

তথ্য-প্রযুক্তি সহ বাংলাদেশের অগ্রগতির ভূয়সী প্রশংসা করলেন নেদারল্যান্ডসের রানী

নিজস্ব প্রতিবেদক | নরসিংদী প্রতিদিন-
বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০১৯:
নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশের তথ্য-প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার সংকল্প ব্যক্ত করেছে। সফররত নেদারল্যান্ডসের রানী ম্যাক্সিমা বৃহস্পতিবার(১১ জুলাই) ডাক ও টেলিযোগাযো মন্ত্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার এর সাথে বাংলাদেশ সচিবালয়ে তাঁর দপ্তরে আয়োজিত বৈঠকে এ কথা জানান। বৈঠকে তাঁরা বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অগ্রগতি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিয়য়াদি নিয়ে আলোচনা করেন। উভয়েই দু-দেশের মধ্যে বিদ্যমান চমৎকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করেন এবং এ লক্ষ্যে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস বন্ধুপ্রতীম দুই দেশের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর এবং ঐতিহাসিক উল্লেখ করে বলেন, ১৯৭২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। তিনি ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা‘র নেদারল্যান্ডস সফরকে দু-দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা হিসেবে অভিহিত করেন।
ডাকা ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী তথ্য-প্রযুক্তি বিকাশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গৃহীত বিভিনন্ন কর্মসূচি তুলে ধরেন।
তিনি বলেন,১৯৯৬ থেকে ২০০১ দেশে তথ্য-প্রযুক্তি বিকাশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হামিাসনা দেশে প্রতিবছর ১০ হাজার প্রোগ্রামার তৈরির দূরদৃষ্টি সম্পন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেন। কম্পিউটার সহজলভ্য করতে কম্পিউটারের ওপর থেকে ভ্যাটট্যাক্স প্রত্যাহারসহ বেশ কিছু যুগান্তকারী কর্মসূচি গ্রহণ করেন। ২০০৮ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণা এবং এরই ধারবাহিকতায় গত দশ বছরে দেশে তথ্যপ্রযুক্তি বিকাশে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সূচিত হয়। দেশের প্রতিটি দূর্গম এলাকাতেও ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক পৌছে গেছে। ডাক বিভাগকে ডিজিটালাইজড করা হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির সুযোগ কাজে লাগাতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাসহ যুগান্তকারী কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্রডব্যান্ড সংযোগের আওতায় এসেছে। তিনি বলেন, তথ্য-প্রযুক্তির সুবিধা ভোগ করছে। তিনি বলেন, দেশে তথ্য-প্রযুক্তির যাত্রার শুরু হয় ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত। এই সময় কম্পিউটারের ওপর থেকে ভ্যাট ট্যাক্স প্রত্যাহার করে কম্পিউটার সাধারণের নাগালে পৌছে দেয়া হয়।
বৈঠকে ডিজিটাল ফিনান্সিয়াল অন্তর্ভূক্তি, ডিজিটাল নিরাপত্তা, ইন্টারএকটিভিটিজ জোরদার, ডিজিটা সিস্টেমে এনআইডি অন্তভ’ক্তি , ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারে নারীর সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি, ডিজিটাল প্রশিক্ষণসহ প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন বিষয়ে রানী তাঁর অভিজ্ঞা তুলে ধরেন এবং পরামর্শ ব্যক্ত করেন।

বৈঠককালে নেদারল্যান্ডসের রানী তথ্য-প্রযুক্তিসহ অর্থনৈতিক ও সামাজিজক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতির ভুঁয়শী প্রসংসা করেন। বৈঠকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস, বিটিআরসি চেয়ারম্যান মো: জহিরুল হক, ডাক বিভাগের মহাপরিচালক এসএস ভদ্রসহ মন্ত্রণালয়ের পদস্থ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

সময় বাচাঁতে ঘরে বসে কেনা-কাটা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *