| ১৫ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং | ১লা পৌষ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৭ই রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরী | রবিবার

বেলাবতে সামাদ লেংটার মাজারের ওরশে গিয়ে নারী ধর্ষিত,থানায় মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক | নরসাংদী প্রতিদিন-
শুক্রবার,০৯ আগস্ট ২০১৯:
নরসিংদীর বেলাবতে সামাদ লেংটার মাজারের শরীফের ওরশে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ২৫ বছরের এক নারী। বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) রাতে বেলাব উপজেলার সররবাদ পশ্চিমপাড়া গ্রামে অবস্থিত মাজারের পাশের একটি বাড়িতে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত ধর্ষক ওই বাড়ির মালিক মৃত মহব্বত আলীর ছেলে মকবুল (৩২)। ধর্ষিতা ওই নারী রাজবাড়ি জেলার পাংশা থেকে ওই ওরশে এসেছিলেন।
এ ঘটনায় শুক্রবার (৯ আগস্ট) সকালে অভিযুক্ত মহব্বতের বিরুদ্ধে বেলাব থানায় মামলা দায়ের করেছেন ওই নির্যাতিতা নারী।

পুলিশ ও নির্যাতিতা ওই নারী জানান, গত মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) থেকে সররাবাদ পশ্চিমপাড়া গ্রামের সামাদ লেংটার মাজারে ওরশ শুরু হয়। এর আগে গত শুক্রবার (২ আগস্ট) রাজবাড়ি থেকে ওরশে যোগ দিতে মাজারে এসে অবস্থান করতে থাকেন ওই নারী। ওরশ শরীফ উপলক্ষে মাজার শরীফ ও আশেপাশের বাড়ির উঠানে গানের আসর হয়ে থাকে।
বৃহস্পতিবার রাতে মাজারের পাশের বাড়ির মকবুলের বাড়ির উঠোনের আসরে গান শুনতে যান ওই নারী।

এক পর্যায়ে বাড়ির মালিক মকবুল ওই নারীকে তার ঘরে গিয়ে বিশ্রাম নিতে বলেন। এতে রাজি না হলেও জোর অনুরোধে তাকে হাত ধরে ঘরে নিয়ে যায় মকবুল। পরে রাতে মকবুল ওই নারীকে ধর্ষণ শুরু করে। এতে ওই নারী চিৎকার করলেও গানের শব্দে কেউ টের না পাওয়ায় কেউ রক্ষা করতে এগিয়ে আসেননি। এসময় নিজেকে রক্ষা করতে মকবুলের ঠোটে কামড় দিয়ে রক্তাক্ত জখম করেন ওই নারী। এতে মকবুল ও ওই নারীর জামায় রক্তের দাগ লেগে থাকার প্রমাণ দেখিয়ে রাতেই ওই নারী উপস্থিত নারী পুরুষ ও স্থানীয় লোকজনকে ঘটনা জানালে তারা থানায় গিয়ে অভিযোগ দেয়ার পরামর্শ দেন।

বেলাব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফখরুদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় ওই নারী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করার পর তাকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত আসামী পলাতক রয়েছে তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

এদিকে স্থানীয়রা জানান, গত বছরও ওই মাজারের ওরশের একটি গানের আসরে ঘুমিয়ে পড়া এক কন্যা শিশুকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। সেসময় ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়া হয়। উক্ত মাজারকে ঘিরে মদ, গাজাসহ নানা অনৈতিক ঘটনা ঘটে প্রায়ই।

সময় বাচাঁতে ঘরে বসে কেনা-কাটা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *