| ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং | ৬ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২০শে মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী | শনিবার

নরসিংদীতে পুলিশের অভিযানে টেটা, রামদা ও ককটেল উদ্ধার

লক্ষন বর্মন। নরসিংদী প্রতিদিন-
মঙ্গলবার ২০ আগস্ট ২০১৯:
নরসিংদীর চরাঞ্চলে অভিযান চালিয়ে ১৪০ টি টেটা, ৫টি রাম দা ও ৬২ টি ককটেল উদ্ধার করেছে নরসিংদী মডেল থানা পুলিশ। গত (১৯ আগস্ট) সোমবার বিকেলে সদর উপজেলার আলোকবালী ইউনিয়নের খোদাদিলা গ্রাম থেকে এসব দেশীয় অস্ত্র ও ককটেল উদ্ধার করা হয়। আজ মঙ্গলবার দুপুরে নরসিংদী শহর ফাঁড়ি প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলনে নরসিংদীর পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
দুপুরে নরসিংদী শহর পুলিশ ফাঁড়িতে এ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার। পরে পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে পুলিশের বোমা ডিসপোজাল টিম ককটেলগুলো নিস্ক্রিয় করেন।

পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে পুলিশের বোমা ডিসপোজাল টিম ককটেলগুলো নিস্ক্রিয় করেন।

সংবাদ সম্মেলনে নরসিংদী পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার জানান, গতকাল সোমবার সদর উপজেলার চরাঞ্চল আলোকবালী গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হলে, সংবাদ পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল শাহেদ আহমেদ, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দুজ্জামান এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে খোদাদিলা গ্রামের জনৈক আলাউদ্দিনের বাড়ী থেকে ১৪০ টি টেটা, ৫টি রাম দা ও ৬২ টি ককটেল উদ্ধার করা হয়। পরে ঢাকা থেকে বোমা ডিসপোজাল টিম এনে ককটেলগুলো নিস্ক্রিয় করা হয়।
এই সময় পুলিশ সুপার আরো জানান, টেটা এখন মাছ ধরার হাতিয়ার নয়, মরণ নেশার অস্ত্র। এক সময় চরাঞ্চলে এই টেটা দিয়ে মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত হত। এখন এই টেটাই মানুষের জীবনাশী, প্রাণ নাশের জীবন্ত মূর্তিমান আতংঙ্ক। এই টেটার বিরুদ্ধে নরসিংদীর পুলিশে অবস্থান অত্যন্ত কঠিন থেকে কঠোর। যেই এই টেটা, অস্ত্র ও ককটেল বহন করবে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
৫টি রাম দা ও ৬২ টি ককটেল উদ্ধার

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) জাকির হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শফিউর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেড কোয়ার্টার) বেলাল আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) শাহেদ আহমেদ, নরসিংদী মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ মো. সৈয়দুজ্জামান, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সালাউদ্দিন আহমেদ, পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) আতাউর রহমানসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপিস্থত ছিলেন।

সময় বাচাঁতে ঘরে বসে কেনা-কাটা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *