| ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং | ৫ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২০শে মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী | শুক্রবার

ইউএনও এ.এইচ.এম জামেরী হাসানের হস্তক্ষেপে দাইড়ের পাড় গ্রামে স্বস্তি

খন্দকার শাহিন | নরসিংদী প্রতিদিন-
মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট ২০১৯:
নরসিংদীর মাধবদীতে মহিষাশুড়া ইউনিয়নে দাইড়ের পাড় গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যু ও সুদী ব্যবসায়িদের কাছে জিম্মি থাকা এলাকাবাসীর অবসান ঘটেছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ.এইচ.এম জামেরী হাসানের হস্তক্ষেপে অবশেষে ঐ গ্রামে স্বস্তি ফিরেছে বলে জানান গ্রামবাসী। এর ফলে গ্রামবাসীর ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন ইউএনও।

ভুক্তভোগীরা নরসিংদী প্রতিদিনকে জানান, সদর উপজেলার দাইড়ের পাড় গ্রামবাসী দীর্ঘদিন ধরে এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যু নুরুল ইসলামের ছেলে রমিজ উদ্দিন, রতন, বাদল, আব্দুল আহাদের ছেলে হারুন, আসাদ, মহসিন ও ছালাম বাহিনীর নিকট জিম্মি হয়ে পড়ে। তারা তাদের লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে গ্রামের সহজ-সরল লোকদের চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ নিতে বাধ্য করে এবং সেই সুদের টাকা আদায়ের জন্য এলাকাবাসীর উপর চালানো হয় বিভিন্ন অত্যাচার। তাদের অত্যাচার, অনাচার ও নির্যাতন সইতে না পেরে অনেকেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

এরপর নির্যাতকদের নাম উল্লেখ করে মাধবদী থানাসহ প্রশাসনের নিকট অভিযোগ করা হয়। পরে অভিযোগের ভিত্তিতে ইউএনও এ.এইচ.এম জামেরী হাসান, মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের দেওয়ান, নরসিংদী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র প্রেসিডেন্ট আলী হোসেন শিশির, নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন (কমিশনার), নরসিংদী জেলা পরিষদের সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মনিরুজ্জামান ভূইয়াসহ স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিরা উক্ত গ্রামবাসীর দীর্ঘদিনের শৃঙ্খল যুক্ত পরিবেশ থেকে মুক্ত করে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী ও সুদ মুক্ত পরিবেশে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হন। বর্তমানে গ্রামবাসীর মাঝে আনন্দ ফিরে এসেছে।

নরসিংদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ.এইচ.এম জামেরী হাসান নরসিংদী প্রতিদিনকে বলেন, ‘নরসিংদীর মতো এতো উন্নত শহরের পাশে দাইড়ের পাড়ের প্রত্যন্ত গ্রামে শত শত মানুষ এই আধুনিকতার যুগে এত পিছিয়ে আছে তা আমার জানা ছিলনা।’

তিনি বলেন, ‘অন্যায়কারীদের বিচারের আওতায় এনে গ্রামবাসীর মুখে হাঁসি ফোটাতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে হচ্ছে’। দাইড়ের পাড়সহ এ উপজেলার সবার সুখে-দুঃখে সর্বক্ষনিক পাশে থাকবেন বলেও তিনি জানান।

সময় বাচাঁতে ঘরে বসে কেনা-কাটা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *