| ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং | ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২৩শে জমাদিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরী | মঙ্গলবার

আমার জরায়ুটা আর নেই : আনুশকা

বিনোদন ডেস্ক | নরসিংদী প্রতিদিন-
রবিবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯:
পেটে ১৩টিরও বেশি টিউমার হয়েছিল। সেগুলির জন্য দুই বার অস্ত্রপচার করতে হয়েছে। জরায়ু কেটে ফেলে দিতে হয়েছে। জীবনের এই ভয়ানক সত্যিটাই সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রকাশ্যে এনেছেন খ্যতনামা সেতার বাদক, মিউজিক কম্পোজার তথা পণ্ডিত রবি শঙ্করের কন্যা আনুশকা শংকর।

প্রথমবার জরায়ু বাদ দেওয়ার কথা শুনে তিনি ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন। ভেবেছিলেন, তার নারীত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠবে, যৌনজীবনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তারপর পরিচিতজনদের সঙ্গে কথা বলে তিনি জীবন বাঁচানোর উৎসাহ ফিরে পান।

অস্ত্রোপচারের পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে তিনি জরায়ুর টিউমার আর এর অস্ত্রোপচার নিয়ে জনসমক্ষে কথা বলার সিদ্ধান্ত নেন। এ ব্যাপারে সবাইকে সচেতন করার প্রয়োজন অনুভব করছেন।

আনুশকা লিখেছেন, ‘মাত্র ২৬ বছর বয়সেই আমি প্রথম বুঝতে পারি, আমার জরায়ুতে একটা ফাইব্রয়েডের (ক্যান্সারবিহীন টিউমার) মতো কিছু একটা রয়েছে। অস্ত্রপচারের মাধ্যমে ফাইব্রয়েডটা জরায়ু থেকে কেটে বাদ দেওয়া হয়। সেবারের মতো জরায়ুটা সুরক্ষিত করা হয়। এর পরবর্তীকালে আমি অবশ্য দুই সন্তানের মা হয়েছি। জরায়ুর এই অস্ত্রপচার নিয়ে কেন বেশি কথা হয় না? এ বিষয়ে আমি একজন নারীকে জিজ্ঞেস করে ছিলাম, তার জবাবে তিনি বলেছিলেন, আজকাল কমবেশি বেশিরভাগ মেয়েরাই এই সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।’

রবি শঙ্কর কন্যা লিখেছেন, ‘গত মাসের পর থেকে আমার জরায়ুটা আর নেই। আমার দুটি অস্ত্রপচার হয়েছে। একটা স্ত্রীরোগের ও অন্যটি ক্যান্সারের জন্য। কারণ আমার জরায়ুর টিউমারগুলো ক্রমাগত বেড়ে যাচ্ছিল। টিউমারের কারণে জরায়ুর আকারটা প্রায় ৬ মাসের গর্ভবতীর মতো হয়ে গিয়েছিল। চিকিৎসকরা ১৩টি টিউমারই অস্ত্রপচারের মাধ্যমে বের করে দেন।’

আনুশকা শঙ্কর আরও লিখেছেন, ‘ভেবেছিলাম জরায়ু বাদ যাওয়ার ফলে হয়তো আমার সন্তানরা তাদের মাকে হারাবে। আমার যৌনজীবনেও হয়ত প্রভাব পড়বে। এসব অনেক কথাই মাথায় এসেছিল। তবে যখন আমি এই বিষয়টা নিয়ে আমার বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিতদের মধ্যে কথা বললাম তখন জানতে পারলাম যে কত মহিলাই এই ধরনের ভয়ানক পরিস্থিতির মধ্যেই দিয়ে যায়।’

Print Friendly, PDF & Email

সময় বাচাঁতে ঘরে বসে কেনা-কাটা

Leave a Reply

Your email address will not be published.