| ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং | ৫ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২০শে মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী | শুক্রবার

ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ঘোড়াশাল রেলওয়ে স্টেশনের, বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশংকা

সাব্বির হোসেন | নরসিংদী প্রতিদিন-
মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ :
ঝুঁকিপূর্ণ ভবন নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল ফ্ল্যাগ রেলওয়ে স্টেশন। এ ভবনের পিলারে ফাঁটল, ছাদের কয়েকটি স্থানে ধসে পড়াসহ বহু বছর ধরে সংস্কার কাজ না হওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে চলছে স্টেশনের কার্যক্রম। যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশংকা করেছেন অনেকেই। দুর্ঘটনায় যাত্রীসহ অনেকেরই জীবন চলে যেতে পারে। ধ্বংস স্তুপে পরিনত হতে পারে ভবনটি।
ঘোড়াশাল পৌর এলাকার শীতলক্ষ্যা নদীর পাশে অবস্থিত দেশের একমাত্র দোতলা রেলওয়ে স্টেশন এটি। শিল্পসমৃদ্ধ এই শহরে হাজারো মানুষের বসবাস। এখানে রয়েছে একটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, ২টি সারকারখানা, প্রান আর এফ এল কোম্পানি , জুটমিল, পেপার মিল, রড ফ্যাক্টরীসহ অসংখ্য ছোট বড় কারখানা। এই সকল কারখানায় কর্মরত আছে প্রায় ৪০ হাজার কর্মকর্তা ও শ্রমিক-কর্মচারী। এই শহর থেকেই ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় প্রতিদিন যাতায়াত করে হাজারো যাত্রী। বেশির ভাগ যাত্রীই বাস সার্ভিসের পরিবর্তে ট্রেনের উপর নির্ভর হয়ে পড়েছে। কিন্তু স্টেশনটি ঝুঁকিপূর্ণ থাকার পরেও ঢাকাসহ অন্যান্য স্থানে যাতায়াত করছেন যাত্রীরা।
ঘোড়াশালের মারুফুর রহমান বলেন, সড়ক পথে যানজটের সমস্যার কারনে ঘোড়াশাল ফ্ল্যাগ রেলওয়ে স্টেশন থেকেই প্রতিদিন ঢাকা আসা যাওয়া করি। এই স্টেশনের পুরাতন ভবনটি এখন মৃত্যু ফাঁদে পরিনত হয়েছে। ভবনের নিচতলার উপরের কিছু অংশ ধ্বসে পড়ে যাচ্ছে । কয়েকটি পিলারের ফাটল দেখা দিয়েছে। এমন অবস্থায় চলতে থাকলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এখানে। তাই সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানাই এ স্টেশনটি যেনো জরুরী ভিত্তিতে সংস্কার করা হয়।
শিবপুরের এস এ গাজী বলেন, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ যদি স্টেশনের পুরাতন ভবনটির সংস্কার কাজ করতে না পারে তাহলে যেনো এটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। পাশেই একটি নতুন স্টেশনের ভবনের কাজ শেষ হয়েছে। অথচ সেটিকে চালু না করে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে স্টেশনের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
ঘোড়াশাল ফ্ল্যাগ রেলওয়ে স্টেশনের বুকিং সহকারী ( চলতি দায়িত্ব স্টেশন মাস্টার) ইয়াসিন জানান, ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে এটা কর্তৃপক্ষ জানেন। আর নতুন যে ভবনটি করা হয়েছে সেটাতে পর্যাপ্ত জায়গা নেই। এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি রয়েছে।

সময় বাচাঁতে ঘরে বসে কেনা-কাটা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *