1. khandakarshahin@gmail.com : Breaking News : Breaking News
  2. laxman87barman@gmail.com : laxman barman : laxman barman
  3. shahinit.mail@gmail.com : narsingdi : নরসিংদী প্রতিদিন
  4. msprovat@gmail.com : ms provat : ms provat
  5. hsabbirhossain542@gmail.com : সাব্বির হোসেন : সাব্বির হোসেন
শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:২৫ অপরাহ্ন

আইজিপি’র নিকট লিখিত অভিযোগ মামলার সাজা থেকে বাঁচার  জন্য প্রতিবন্ধী পুত্রকে হত্যা 

ডেস্ক রিপোর্ট | নরসিংদী প্রতিদিন
  • প্রকাশের তারিখ | শনিবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৭
নরসিংদী প্রতিদিন : ২৬ ধারাসহ একাধিক বিচারাধিন মামলা থেকে বাঁচার জন্য কাউছার নামে নিজ প্রতিবন্ধী পুত্রকে হত্যা করে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পাষন্ড পিতা আজগর আলী। পুলিশ বিনা তদন্তে মামলা নিয়ে বাদী রিনা বেগম ও আবু সিদ্ধিক ও তার পরিবারের সদস্যদেরকে হয়রানী করছে। অথচ হাসপাতালে ভর্তির সময় কাউছারের যখমীর রেকর্ড এবং মৃত্যুর পর মেডিকেল সনদে যখমী রেকর্ডে ব্যাপক তারতম্য থাকার পরও পুলিশ দন্ডবিধির ২১১ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা মামলার বাদী আজগরের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। এ মর্মে রিনা বেগম আবু সিদ্ধিকের আত্মীয় মোঃ জলিল মিয়া ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তার্থে মামলাটি সিআইডি পুলিশের নিকট হস্তান্তরের দাবী জানিয়েছে। মহা পুলিশ পরিদর্শক এ ব্যাপারে লিখিত রিপোর্ট দেয়ার জন্য নরসিংদী পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে কোন রিপোর্ট আইজিপি অফিসে প্রেরণ করা হচ্ছে না। ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা গেছে, নরসিংদী সদর উপজেলা বথুয়াদী গ্রামে আবু সিদ্দিক ও রিনা বেগম গংদের সাথে আজগর আলী গংদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। আর এই বিরোধ থেকে সৃষ্ট কয়েকটি ঘটনা নিয়ে রিনা বেগম ও আবু সিদ্দিক বাদী হয়ে আজগর আলী গংদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করে। এসব মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এসব মামলায় নিশ্চিত সাজা হবে জেনে আজগর আলী ও তার লোকেরা বিচলিত হয়ে পড়ে। এরই মধ্যে গত ৬ মে আজগর আলীর প্রতিবন্ধী পুত্র কাউছার কাঁচা লেট্রিনে মল ত্যাগ করতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে মারাত্মক আহত হয়। সাথে সাথে তাকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। ৩ দিন চিকিৎসার পর কাউছার আরোগ্য লাভ করায় কর্তৃপক্ষ তাকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দিয়ে দেয়। গত ১৭ মে আজগর আলী ও তার সমর্থকরা প্রতিবন্ধী কাউছারকে মারাত্মকভাবে আহত করে তাকে মৃত বলে মাধবদী থানা পুলিশকে খবর দেয় এবং পরে আজগর আলী বাদী হয়ে রিনা বেগম, আবু সিদ্দিকসহ তাদের পরিবারের ১৭ জনকে আসামী করে মাধবদী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। পুলিশ রহস্যজনক কারণে বিনা তদন্তে এই মামলা গ্রহণ করে আসামীদেরকে হয়রানী করতে থাকে। এ অবস্থায় তাদের আত্মীয় জলিল মিয়া থানা পুলিশের হয়রানী থেকে বাঁচার জন্য মহা পুলিশ পরিদর্শকের নিকট আবেদন পত্রটি পেশ করেন। এতে তিনি উল্লেখ করেন, আজগর আলী তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা থেকে বাঁচার জন্য নিজ প্রতিবন্ধী পুত্রকে হত্যা করে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। তিনি প্রমানস্বরুপ উল্লেখ করেন যে, ৬ মে তারিখে যখন আহত কাউছারকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তখন কাউছারের পিতা আজগর আলী এ ব্যাপারে কোন মামলা বা জিডি করেনি। ১৭ মে তাকে হত্যা করে তার পোস্টমটের্ম রিপোর্টে যেসব যখমীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে ৬ মে তারিখে ভর্তির সময় হাসপাতালের রেকর্ডে সে যখমীর কোন উল্লেখ নেই। ৬ মে কাউছারকে হাসপাতালে ভর্তি করার পর ৯ তারিখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে ছাড়পত্র দিয়ে দেয়। দুটি যখমী রেকর্ড ও হাসপাতালের ছাড়পত্রই প্রমান করে যে, প্রতিবন্ধী কাউছারকে তারা নিজেরাই হত্যা করে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। অথচ পুলিশ এসব দলিল পেয়েও মিথ্যা মামলার বাদী আজগর গংদের বিরুদ্ধে কোন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না।



এই পাতার আরও সংবাদ:-





টিম-নরসিংদী প্রতিদিন এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে শাহিন আইটি এর একটি প্রতিষ্ঠান-নরসিংদী প্রতিদিন-
Theme Customized BY WooHostBD