1. nahidprodhan143@gmail.com : নরসিংদী প্রতিদিন : নরসিংদী প্রতিদিন
  2. khandakarshahin@gmail.com : Breaking News : Breaking News
  3. laxman87barman@gmail.com : laxman barman : laxman barman
  4. shahinit.mail@gmail.com : narsingdi : নরসিংদী প্রতিদিন
  5. msprovat@gmail.com : ms provat : ms provat
  6. hsabbirhossain542@gmail.com : সাব্বির হোসেন : সাব্বির হোসেন
  7. subeditor@narsingdipratidin.com : Narsingdi Pratidin : Narsingdi Pratidin
মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ০৮:১৩ অপরাহ্ন



নরসিংদীতে রেলওয়ের জলাশয় ও ভূমি অবাধে চলেছে দখল, দেখার কেউ নেই

ডেস্ক রিপোর্ট | নরসিংদী প্রতিদিন
  • প্রকাশের তারিখ | বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর, ২০১৭

নরসিংদী প্রদিদিন: বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলীয় জোনের নরসিংদী রেলস্টেশন সংলগ্ন রেলওয়ের জলাশয় সমূহসহ বিশাল ভূমি অবাধে চলেছে দখল, দেখার কেউ নেই। পরিবেশ অধিদপ্তরের আইন অমান্য করে জলাশয় ভরাট করে নির্মাণ করা হচ্ছে অবৈধ মার্কেটসহ বিভিন্ন স্থাপনা। পাশাপাশি ভরাট করা হচ্ছে রেলওয়ে ভূমি সংলগ্ন সরকারী খালও।
নরসিংদী স্টেশনের আশেপাশে এলাকার চিহ্নিত ভূমিদস্যুরা রেলওয়ে এস্টেড বিভাগের এক শ্রেণীর দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কর্মচারীদের যোগসাজসে এই অবাধ দখলদারী চালাচ্ছে। পরিবেশ অধিদপ্তর, নরসিংদী কার্যালয় থেকে মাত্র ৫০ গজ দূরে জলাশয় ভরাট করছে পরিবেশ অধিদপ্তরের স্থানীয় কর্মকর্তারা কিছুই বলছে না। উপজেলা প্রশাসনের নাকের ডগায় সরকারী খাল ভরাট করা হচ্ছে প্রশাসন কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। রেলওয়ের জায়গা দখলে নিয়ে জায়গার রকম পরিবর্তন করছে, স্থানীয় রেলপুলিশ, স্টেশন কর্তৃপক্ষ কিংবা রেলওয়ের এস্টেট বিভাগের কর্মকর্তারা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। উপরন্তু গোলাম নবী নামে এস্টেট বিভাগের জনৈক কর্মকর্তা নরসিংদী গিয়ে অবৈধ দখলদারীদের নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে গেছে বলে এলাকায় ব্যাপক রটনা হয়েছে। এর পরই শুরু হয়েছে জলাশয় দখল ও বালু ভরাটের হিড়িক। বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলীয় জোনের নরসিংদী অংশে মোট ১০টি রেলস্টেশন রয়েছে। ঘোড়াশাল থেকে শ্রীনিধি পর্যন্ত ১০টি রেলস্টেশনের আশেপাশে রয়েছে বহুসংখ্যক রেকর্ডভূক্ত জলাভূমি, নিম্নভূমি এবং ভিটে ভূমি। এই সব ভূমির বেশীরভাগই রয়েছে অবৈধ দখলে। রেলওয়ের আশেপাশে চিহ্নিত ভূমি দস্যুরা রাজনৈতিক আশ্রয় প্রশ্রয়ে থেকে রেলওয়ের এস্টেট বিভাগের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের সাথে অবৈধ আর্থিক সম্পর্ক স্থাপন করে এসব ভূমি দখলে নিয়েছে। বর্তমানে স্টেশনের পশ্চিম পাশে হোম সিগ্যনালের অভ্যন্তরীয় রেললাইন সংলগ্ন জলাভূমি দখলে নিয়ে নির্মাণ করছে অবৈধ মার্কেট। তারা আড়িয়ালখাঁ নদী থেকে পাইপ ফিট করে ড্রেজার দিয়ে বালু এনে এই জলাশয় ভরাট করে রেলওয়ের ভূমি রকম পরিবর্তন করে ফেলেছে। এরপর এখন কর্মচারী লাগিয়ে রেললাইনের মাত্র ৫ ফুট দূরে নির্মাণ করছে বিশাল মার্কেট।
এব্যাপারে নরসিংদী রেলফাঁড়ির পুলিশের সাথে যোগাযোগ করা হলে ফাঁড়ির ইনচার্জ জানান, বিষয়টি নিয়ে রেলওয়ে এস্টেট বিভাগের কর্মকর্তাদেরকে স্টেশন মাস্টারের মাধ্যমে চিঠি দেয়া হয়েছে। চিঠি পাবার পর গোলাম নবী নামে একজন এস্টেট কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। খবর পেয়ে ভূমিদস্যুরা তার সাথে যোগাযোগ করার পর তিনি এই অবৈধ স্থাপনা না ভেঙ্গে এবং নির্মাণ কাজ বন্ধ না করে ঢাকায় ফিরে যান। এই ঘটনার পর ভূমিদস্যুরাই এলাকায় প্রচার করে যে তাকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে বিদায় করা হয়েছে। কথিত গোলাম নবী চলে যাবার পর মার্কেট নির্মাণের কাজ আরো দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলচ্ছে। শুধু তাই নয় রেলওয়ের এই ভূমির পাশে সরকারী খাল নতুন করে দখল করে মাটি ভরাট করে রেলওয়ে অবৈধ মার্কেটের সীমা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। এতে নরসিংদী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ সরকারী অফিস আদালত, সরকারী আবাসিক এলাকাসহ মানুষের হাজার হাজার বাড়ীঘর পানির নিচে তলিয়ে যাবার আশংকা দেখা দিয়েছে। প্রকাশ্য দিন দুপুরে নরসিংদী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাস ভবন থেকে মাত্র ১০০ গজ দূরে এই খাল দখল করে অবৈধ নির্মাণ কাজ চালালেও উপজেলা প্রশাসন কিংবা জেলা প্রশাসন কেউই ভূমিদস্যুদেরকে অবৈধ কাজ থেকে নিবৃত্ত করছে না। পাশাপাশি পরিবেশ অধিদপ্তর অফিস রেললাইন থেকে মাত্র ৫০ গজ দূরে অবস্থিত। তাদেরকে জানানোর পরও পরিবেশ অধিদপ্তরের স্থানীয় কর্মকর্তারা জলাভূমি দখল ও বালু ভরাট করে রকম পরিবর্তনে কোন বাধা প্রদান করছে না। যার ফলে নরসিংদী রেলস্টেশনের আশেপাশের জায়গা রেলওয়ের বিস্তীর্ণ জলাশয় ও ভূমি অবৈধ দখলের হিড়িক পড়েছে। ভূমি দস্যুরা যার যার অবস্থানে থেকে রেলওয়ের জলাভূমি দখল করে একের পর এক বালু ভরাট করে চলছে। রেল মন্ত্রনালয়, রেল অধিদপ্তর তথা এস্টেট বিভাগের কর্মকর্তারা কোনই কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না।
এর আগে নরসিংদী রেলস্টেশনের পূর্ব দিকে আউটার সিগ্যনাল সংলগ্ন কয়েক বিঘারও অধিক নিম্নভূমি, ভূমি দস্যুদের স্থায়ী মালিকানায় চলে গেছে। তারা রেলওয়ের সীমানা পিলার উপড়ে ফেলে এই ভূমির মালিকানা দাবী করে আদালতে মামলা দায়ের করে এস্টেট বিভাগের কর্মকর্তাদের টাকা দিয়ে আদালতে গড় হাজির রেখে এক তরফা রায় নিয়ে এই ভূমির স্থায়ী মালিক বনে গেছে। এর আশেপাশে কয়েক একর জলাভূমি দখলে নিয়ে বালু ভরাট করে স্থায়ী বাড়ীঘর নির্মাণ করে নিরাপদে বসবাস করছে। রেলওয়ের মন্ত্রী, সচিব, মহাপরিচালকসহ রেলওয়ের উর্ধতন কর্মকর্তাগন রেল গাড়ী দিয়ে পূর্বাঞ্চলীয় জোন সফর করলে এই অবৈধ দখলীয় জমির পাশ দিয়েই যাতায়াত করেন। চোখের সামনে এসব দেখেও কেউ অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করার পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। রেলওয়ের উর্ধতন কর্মকর্তাদের এই নির্লিপ্ততা রেলওয়ের জলাশয় ও জমি দখলকে দিন দিন আরো উৎসাহিত করছে। সূত্র : আলোকিত খবর

এই পাতার আরও সংবাদ:-





টিম-নরসিংদী প্রতিদিন এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে শাহিন আইটি এর একটি প্রতিষ্ঠান-
Theme Customized BY WooHostBD