1. khandakarshahin@gmail.com : Breaking News : Breaking News
  2. laxman87barman@gmail.com : laxman barman : laxman barman
  3. shahinit.mail@gmail.com : narsingdi : নরসিংদী প্রতিদিন
  4. msprovat@gmail.com : ms provat : ms provat
  5. hsabbirhossain542@gmail.com : সাব্বির হোসেন : সাব্বির হোসেন
শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:০১ পূর্বাহ্ন

ব্যাংকার দম্পতির বিরুদ্ধে গৃহপরিচারিকাকে পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে মামলা

ডেস্ক রিপোর্ট | নরসিংদী প্রতিদিন
  • প্রকাশের তারিখ | বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮

লক্ষন বর্মন,নরসিংদী প্রতিদিন: নরসিংদীতে ফুটন্ত গরম পানি ঢেলে মনি আক্তার (১১) নামে এক গৃহপরিচারিকাকে পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তপ্ত গরম পানিতে শিশুটির মুখমন্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে গেছে।
মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুটি বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
শহরের টাউন হল এলাকায় নরসিংদী জনতা ব্যাংকে কর্মরত হাসান সারোয়ার সোহেলের বাড়িতে এ ঘটনাটি ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন ভিকটিমের পরিবার।
এ ঘটনায় বুধবার রাতে মনির বাবা বাদি হয়ে ব্যাংক কর্মকর্তা ও তার স্ত্রী মাহামুদা ইয়াসমিন নাজমার নামে নরসিংদী সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
ঝলসে যাওয়া মনি আক্তার কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ থানার রিকশা চালক আবদুল আজিজের মেয়ে। তারা পৌর শহরের দাশপাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকেন।
মনির বাবা আবদুল আজিজ জানিয়েছেন, অর্থের অভাবে প্রয়োজনীয় ওষুধপত্রের যোগান দিতে না পারায় পোড়ার যন্ত্রণা নিয়ে প্রতিটি মুহূর্ত ছটফট করে কাটছে শিশুটির।
পুলিশ ও নির্যাতিতার পরিবার জানায়, গত দেড় মাস পূর্বে নরসিংদী জনতা ব্যাংকে কর্মরত হাসান সারোয়ার সোহেলের বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ নেয় মনি আক্তার।
এর মধ্যে ১৭ জানুয়ারি রাতে বড় একটি পাতিলে পানি ফুটাতে বসান গৃহকর্ত্রী নাজমা। আধঘণ্টা পর পানি গরম হয়ে গেলে ফুটন্ত পানির পাতিল চুলা থেকে নামানোর নির্দেশ দেয়।
অনেক ভারী বিধায় মনি নামাতে না পেরে গৃহকর্ত্রী নাজমাকে নামাতে বলেন। এতে নাজমা মনির উপর চরম ক্ষিপ্ত হয়ে বকাঝকা শুরু করেন। পরে গৃহকর্ত্রী নাজমা জিদ করে মনির উপর গরম পানি ঢেলে দেন। তপ্ত গরম পানিতে সাথে সাথে মনির মুখমন্ডল ও শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। পরে তার ব্যাংক কর্মকর্তা স্বামী গৃহপরিচারিকা মনিকে চিকিৎসা না করিয়ে লোক মারফত বাড়ি পাঠিয়ে দেয়।
কাউকে কিছু জানাতে বারণ করে দেয়া হয়। পুলিশ বা অন্য কাউকে কিছু জানালে মেরে ফেলে দেয়া হবে বলে হুমকি প্রদান করা হয়।
পরে আজিজের বাসার আশপাশের লোকজন খবর পেয়ে মনিকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। অবস্থার অবনতি হলে মনিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করা হয়। গত ১০ দিন মনি সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।
বুধবার রাতে রাসেল সরকার নামে একজন ফেইসবুক স্ট্যাটাসে বিষয়টি তুলে ধরলে হৈচৈই পড়ে যায়।
ভাইরাল হয় ঝলসে যাওয়া শিশুটির ছবি। পরে সুশীল সমাজের লোকজন এগিয়ে এসে আব্দুল আজিজকে সাহস যোগান।
পরে বুধবার রাতেই মনির বাবা আব্দুল আজিজ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বিচার চেয়ে নরসিংদী সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
আব্দুল আজিজ বলেন, পেটের দায়ে শিশু মেয়েটিকে কাজে পাঠিয়ে ছিলাম। কিন্তু তারা যে আমার মেয়েকে পুড়িয়ে মেরে ফেলার অবস্থা করবে তা জানতাম না। আমার শিশু মেয়েটি প্রতিমুহুর্তে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। আমি তাদের বিচার চাই।
ঘটনা জানাজানি হলে গাঁঢাকা দেয় ব্যাংক কর্মকতা ও তার স্ত্রী।
বক্তব্য নেয়ার জন্য একাধিক বার তার ব্যবহৃত ফোন নম্বরে যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
সদর মডেল থানার ওসি গোলাম মোস্তফা এ ঘটনায় মামলা দায়েরের সত্যতা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, শিশুটির বাবা বাদি হয়ে দুই জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। অচিরেই তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

এলবি



এই পাতার আরও সংবাদ:-





টিম-নরসিংদী প্রতিদিন এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে শাহিন আইটি এর একটি প্রতিষ্ঠান-
Theme Customized BY WooHostBD