1. khandakarshahin@gmail.com : Breaking News : Breaking News
  2. laxman87barman@gmail.com : laxman barman : laxman barman
  3. shahinit.mail@gmail.com : narsingdi : নরসিংদী প্রতিদিন
  4. msprovat@gmail.com : ms provat : ms provat
  5. hsabbirhossain542@gmail.com : সাব্বির হোসেন : সাব্বির হোসেন
শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন

কিশোরগঞ্জের ম্যাজিস্ট্রেট সাঈদ বাবার পাশে দাফন: মৃত্যু ঘিরে নানা রহস্য

ডেস্ক রিপোর্ট | নরসিংদী প্রতিদিন
  • প্রকাশের তারিখ | রবিবার, ১১ নভেম্বর, ২০১৮

শরীফ ইকবাল রাসেল, নরসিংদী প্রতিদিন:
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সিনিয়র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু তাহের মো. সাঈদের মৃত্যু নিয়ে রহস্য সৃষ্টি হয়েছে। ডায়রিয়ায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হলেও ময়নাতদন্তে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তার মুখ, নাক ও কপালে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। সামনে আসছে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এখন প্রশ্ন উঠেছে, তিনি মারা গেছেন না-কি তাকে হত্যা করা হয়েছে? উত্তর খুঁজছে পুলিশ।

গত শুক্রবার বিকেলে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ওইদিন রাতেই ম্যাজিস্ট্রেট সাঈদের জানাজার পর ময়নাতদন্ত ছাড়াই তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করতে চেয়েছিল প্রশাসন। তখন তাঁর মুখমণ্ডলে একাধিক আঘাতের চিহ্ন সবার চোখে পরিলক্ষিত হয়।পরিবারের দাবির প্রেক্ষিতে শনিবার সকালে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে তাঁর ময়নাতদন্ত করা হয়। কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. হাবিবুর রহমান জানান, মৃতদেহের নাক, মুখ ও কপালে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে মৃত্যুর জন্য তা যথেষ্ট নয়। তাই ঠিক কী কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, সেটি জানার জন্য ভিসেরা পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এদিকে, ময়নাতদন্তের পর শনিবার দুপুরে সাঈদের মৃতদেহ নরসিংদীর পলাশ উপজেলার মাঝেরচর গ্রামে তাঁর নিজ বাড়িতে আনা হয়।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শহরের আলোর মেলা এলাকায় সরকারি কর্মকর্তাদের ডরমিটরির একটি কক্ষ থেকে অচেতন অবস্থায় ম্যাজিস্ট্রেট সাঈদকে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সজীব ঘোষ তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি জানান, হাসপাতালে নেওয়ার অন্তত এক ঘণ্টা আগে তার মৃত্যু হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়, তিনি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ছিলেন। কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তরফদার আক্তার জামিল জানান, শুক্রবার সকালে ট্রেজারি থেকে জেএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বের করে দেওয়ার কথা ছিল ম্যাজিস্ট্রেট সাঈদের। কিন্তু ভোরে একজন জুনিয়র ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর কাছে ট্রেজারির চাবি নিয়ে এসে জানান, তিনি অসুস্থ্য। তাই আসতে পারবেন না। পরে তিনি জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলে প্রশ্নপত্র বের করে পরীক্ষার কেন্দ্রে চলে যান। বিকেলে তিনি ম্যাজিস্ট্রেট সাঈদের খারাপ অবস্থার কথা জানতে পারেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মাদক ব্যবসায়ী. কালোবাজারি, অবৈধ দখলদারসহ অপরাধীদের কাছে এক আতঙ্কের নাম ছিল ম্যাজিস্ট্রেট সাঈদ। ২০১৪ সালে নরসুন্দা নদীর অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে কয়েক শত কোটি টাকার জমি উদ্ধারে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি। এ ছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে দুই হাজারের বেশি মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড দিয়েছিলেন। তার মৃত্যুর পেছনে এসব ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের যোগসূত্র আছে কি-না- এমন প্রশ্ন উঠে আসছে। কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী জানান, পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে। এ ববিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থাসহ বিভাগীয় তদন্ত করা হবে।

ম্যাজিস্ট্রেট আবু তাহের সাঈদ এর গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর পলাশ উপজেলার মাঝেরচরে শনিবার বিকেল ৪:৩০ মিনিটে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা প্রফেসর আবু সাঈদ এর কবরের পাশে দাফন করা হয়। সূত্র: সমকাল



এই পাতার আরও সংবাদ:-



DMCA.com Protection Status
টিম-নরসিংদী প্রতিদিন এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে শাহিন আইটি এর একটি প্রতিষ্ঠান-নরসিংদী প্রতিদিন-
Theme Customized BY WooHostBD