1. khandakarshahin@gmail.com : Breaking News : Breaking News
  2. laxman87barman@gmail.com : laxman barman : laxman barman
  3. shahinit.mail@gmail.com : narsingdi : নরসিংদী প্রতিদিন
  4. msprovat@gmail.com : ms provat : ms provat
  5. hsabbirhossain542@gmail.com : সাব্বির হোসেন : সাব্বির হোসেন
বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ০২:১৫ পূর্বাহ্ন

২ মেয়াদে ১০ বছর : সরকারের উন্নয়ন অগ্রগতির হালচাল (পর্ব-১)

ডেস্ক রিপোর্ট | নরসিংদী প্রতিদিন
  • প্রকাশের তারিখ | সোমবার, ১১ নভেম্বর, ২০১৯

ডেস্ক রিপোর্ট | নরসিংদী প্রতিদিন –
সোমবার, ১১ নভেম্বর ২০১৯ :
উন্নয়নের সংজ্ঞা কি? এক কথায় উন্নয়নের গ্রহণীয়, সুনির্দিষ্ট ও সর্বজনীন কোনও সংজ্ঞা নেই। তবে অর্থনীতিবিদেরা মনে করেন, কোনও দেশ বা সমাজে যদি মুক্ত অথর্নীতির কাঠামো বিরাজমান থাকে তবে ওই দেশের উন্নয়ন সম্ভব। উন্নয়ন খুব জটিল একটি প্রক্রিয়ার সমন্বয়। মনোবিজ্ঞানীরা আবার মানুষের মন-মানসিকতার উন্নতিকেই উন্নয়ন হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। প্রযুক্তিবিদ ও বিজ্ঞানীরা তথ্য-প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের প্রসার সাধনকে উন্নয়ন হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন। নৃ-বিজ্ঞানীরা সমাজ-সংস্কৃতির উন্নয়নের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

তবে সাধারণভাবে, উন্নয়নকে কোনও নিম্ন আয়ের দেশ থেকে উচ্চ আয়ের দেশে পরিণত করার প্রক্রিয়া হিসেবে চিহ্নিত করা যেতে পারে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন ও সবশেষ একাদশ জাতীয় নির্বাচনের পর বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার ‘গণতন্ত্রের’ চেয়ে ‘উন্নয়ন’ শব্দটিকেই অধিকক্ষেত্রে ব্যবহার করছে। এবং মানুষকে ‘গণতন্ত্রমুখিতার’ পরিবর্তে ‘উন্নয়নমুখি’ ভাবধারায় মনোযোগী করতে ব্যতিব্যস্ততা দেখাচ্ছে। বলা হচ্ছে আগে ‘উন্নয়ন’ পরে ‘গণতন্ত্র’।

টানা তৃতীয় মেয়াদে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন শেখ হাসিনার মহাজোট সরকার। রাষ্ট্র পরিচালনা করতে গিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ইস্যুতে সরকার যেমন ব্যাপক সমালোচিত ও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে, বিপরীতে সারা দেশে গৃহীত উন্নয়ন পরিকল্পনা ও দৃশ্যমান উন্নয়ন চিত্র সরকারকে প্রশংসিতও করেছে। একদিকে সামাজিক ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের সুনির্দিষ্ট ব্যর্থতাগুলো যেমন জনগণের সামনে স্পষ্ট হয়েছে অন্যদিকে সড়ক, রেল, বিদ্যুৎ, তথ্য-প্রযুক্তি থাতে সরকারের অগ্রগতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। বর্তমান সরকারের আমলে দেশের নির্বাচনী সংস্কৃতি নিয়ে বিএনপিসহ বিরোধীদলগুলোর মধ্যে যেমন আছে বিতর্ক, উদ্বেগ, প্রশ্ন আর বিরোধিতা- ঠিক তার বিপরীতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যকর, বহুল প্রত্যাশিত ভারতের সঙ্গে ছিটমহল বিনিয়ম, মিয়ানমারের সঙ্গে পাল্লা লড়ে সমুদ্র বিজয় তথা বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় ও ভরন-পোষণ দিয়ে সরকার দেশের ও বহির্বিশ্বের চোখে সফলতার নজির স্থাপন করেছে।

গণতন্ত্রচর্চার মূল সৌন্দর্য যদি হয় জনগণের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন তবে বর্তমান সরকারকে এক্ষেত্রে পুরোপুরি সফল বলার পক্ষে নন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বিরোধী রাজনীতির স্পেসকে সঙ্কুচিত করে একপেশেভাবে ক্ষমতায়নের রাজনীতির অভিযোগ আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় উঠেছে। জনমনে প্রশ্ন আছে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কারাবন্দিত্ব নিয়েও।

সঙ্গতি-অসঙ্গতি আর প্রহসন-উন্নয়নের হিসাব কষতে বসলে গেল ১০ বছরের রোজনামচা হয়তো আরও দীর্ঘতরই হবে। তবে এ কথা ঠিক যে, রাষ্ট্র পরিচালনাকারী একটি সরকারের ব্যর্থতা যেমন থাকে, থাকে সফলতাও। বিতর্ক যেমন থাকে বিপরীতে থাকে প্রশংসাও। অবনতির উল্টো পিঠে থাকে উন্নতিও। বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশের অধোগতি ও উন্নতি তারই সাক্ষ্য বহন করে।

২০০৮ সালের ১৯ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তৃতীয়বার রাষ্ট্রক্ষমতায় আরোহন করে আওয়ামী লীগ। ২০০৬ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ৪ দলীয় জোট সরকার ক্ষমতা ছাড়ার পর ২০০৭ সালের শুরুতেই দেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। কারফিউ তুলে নেয়া হয় ২০০৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর। এর পর ২৯ ডিসেম্বর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন সামরিক সরকারের অধীনে নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ।

ক্ষমতায় আরোহনের তিন বছরের মাথায় ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধীন মধ্য দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়। সেইসঙ্গে সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদের পরে ৭ (ক) ও ৭ (খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধান বহির্ভূত পন্থায় রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের পথ বন্ধ করে দেয়া হয়। পরবর্তীতে তৎকালীন প্রধান বিরোধীদল বিএনপির বর্জনের মধ্য দিয়ে ২৯১-১ ভোটে বিলটি পাস হয়।

৫ বছর রাষ্ট্রশাসনের পর ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিলে তাতে অংশ নেয়নি বিএনপিসহ অন্যান্য অনেক রাজনৈতিক দল। যে নির্বাচনকে বিএনপিসহ দেশের বিরোধীদলগুলো পরবর্তীতে ‘একতরফা’ বলে আখ্যা দেয়। ওই নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ১৫৪টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা বিজয়ী হলে নির্বাচন নিয়ে দেশে-বিদেশে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম হয়। একইভাবে ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরও দলীয় সরকারের অধীনে একাদশ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নানা আপত্তি-অভিযোগ সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত একাদশ নির্বাচনে অংশ নেয় বিএনপি। আওয়ামী লীগ টানা তৃতীয়বার মোট পঞ্চমবারের মতো রাষ্ট্রক্ষমতায় আসে।

২০০৯ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত টানা দুই মেয়াদে ১০ বছরে সরকারের ইতিবাচক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের একটি ধারাবাহিক প্রতিবেদন তুলে ধরার প্রয়াস চালাচ্ছে দেশের শীর্ষ ও জনপ্রিয় অনলাইন নিউজপোর্টাল ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডি। এই সিরিয়াল প্রতিবেদনের প্রথম পর্বে থাকছে সরকারের বিদ্যুৎ খাত, সড়ক পরিবহন খাত, রেলপথ খাত এবং নৌ-পরিবহন খাতে উন্নয়নের চালচিত্র।

১. বিদ্যুৎ উৎপাদন খাত:
*বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৪,৯৪২ মেগাওয়াট থেকে ২০,১৩৩ মেগাওয়াটে (ক্যাপটিভসহ) উন্নীতকরণ;
* সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন ৩,২৬৮ মেগাওয়াট থেকে ১১,৩৮৭ (১৮ জুলাই ২০১৮ পর্যন্ত) মেগাওয়াটে উন্নীতকরণ;
* বর্তমানে ১৩,৯৮৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৫৫টি বিদ্যুৎকেন্দ্র বিমার্ণাধীন;
* পায়রা, রামপাল, মাতারবাড়ি ও মহেষখালীতে কয়লাভিত্তিক সর্বমোট ৯,৯৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৮টি মেগা প্রকল্প গ্রহণ;
* নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক ৫১৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ও ৫২ লাখ সোলার হোম সিস্টেম স্থাপন;
* সঞ্চালন লাইনের পরিমাণ ৮ হাজার সার্কিট কিলোমিটার থেকে ১১,১২৩ সার্কিট কিলোমিটারে উন্নীতকরণ;
* গ্রিস সাবস্টেশন ক্ষমতা ১৫,৮৭০ এমভিএ থেকে ৩৬,০৪৬ এমভিএ-তে উন্নীতকরণ;
* বাংলাদেশ-ভারত ৪০০ কেভি আন্তঃসংযোগ গ্রিডলাইন নির্মাণ এবং ৮০০ কেভি আঞ্চলিক গ্রিড নির্মাণের কার্যক্রম গ্রহণ;
* গ্রাহক সংখ্যা ১ কোটি ৮ লাখ থেকেহ বৃদ্ধি পেয়ে ৩ কোটি ৩ লাখে উন্নীতকরণ;
* বিতরণ লাইন ২ লাখ ৬০ হাজার কিলোমিটার থেকে ৪ লাখ ৫৭ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত সম্প্রসারণ;
* মাথাপিছু বিদ্যুৎ উৎপাদন ২২০ থেকে ৪৬৪ কিলোওয়াট আওয়ারে উন্নীতকরণ এবং
* বিদ্যুৎ সুবিধাপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠী ৪৭ থেকে ৯০ শতাংশে উন্নীতকরণ।

২. সড়ক পরিবহন খাত:
* দেশের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের আওতাধীন ২১ হাজার ৩০২ কিলোমিটার জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়ক ও জেলা সড়ক, ৪ হাজার ৪০৪ টি সেতু ও ১৪ হাজার ৮৯৪ টি কালভার্ট রয়েছে।
* গেল ১০ বছরে অর্থাৎ ২০০৯ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত সড়ক ও জনপথ অধিদফতর কর্তৃক উন্নয়ন খাতের আওতায় ৪ হাজার ৩৩১ কিলোমিটার মহাসড়ক মজবুতিকরণসহ ৫ হাজার ১৭১ কিলোমিটার মহাসড়ক প্রশস্তকরণ করা হয়েছে;
* অনুন্নয়ন খাতের আওতায় ৪ হাজার ৮৬৯ কিলোমিটার মহাসড়ক কার্পেটিং ও সিলকোট, ১ হাজার ৮৯২ কিলোমিটার বিবিএসটি এবং ৮ হাজার ১৫৮ কিলোমিটার ওভারলে করা হয়েছে;
* ৪১৭ কিলোমিটার জাতীয় মহাসড়ক চার-লেন বা তদূর্ধ্ব লেনে উন্নীতকরণ;
* দেশের অর্থনীতির লাইফ-লাইন খ্যাত ঢাকা-চট্টগ্রাম জাতীয় মহাসড়কের ১৯০ কিলোমিটার চার-লেনে উন্নীতকরণ;
* ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক চার-লেনে উন্নীতকরণ;
* নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক চার-লেনে উন্নীতকরণ;
* রংপুর মহানগরীর বিভিন্ন সড়ক চার-লেনে উন্নীতকরণ;
* চট্টগ্রাম-হাটহাজারী সড়ক বিভাইডারসহ চার-লেনে উন্নীতকরণ;
* কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ দৃষ্টিনন্দন মেরিন ড্রাইভ নির্মাণ;
* যাত্রাবাড়ী-কাঁচপুর সড়ক আট-লেনে উন্নীতকরণ, যেটি দেশের প্রথম আট-লেন মহাসড়ক;
* এ সময়কালে ৯টি ফ্লাইওভার/ওভারপাস ও ৭টি আন্ডারপাস নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ফেনীর মহিপালে ছয়-লেনের ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হয়েছে।
* ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার-লেন উন্নীতকরণ প্রকল্পের আওতায় ফেনীর ফহেতপুর, কুমিল্লার পদুয়ার বাজার, ইলিয়টগঞ্জ ও চট্টগ্রামের কালুশাহ মাজার এলাকায় ৩টি রেলওয়ে ওভারপাস, কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় আন্ডারপাস নির্মাণ করা হয়েছে;
* ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে নির্মিত হয়েছে মাওনা ফ্লাইওভার। এছাড়া ঢাকা মহানগরীতে বনানী রেলওয়ে ওভারপাস, মিরপুর থেকে এয়ারপোর্ট রোড পর্যন্ত মো. জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভার, কুমিল্লা শহরে শাসনগাছা ফ্লাইওভার, টঙ্গীতে আহসান উল্যাহ মাস্টার ফ্লাইওভার, চট্টগ্রাম বন্দর সংযোগ ফ্লাইওভার উল্লেখযোগ্য;
* এছাড়া এই ১০ বছরে ৯১৪ টি সেতু ও ৩ হাজার ৯৭৭ টি কালভার্ট নির্মাণ/পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে;
* ঢাকা মহানগরী ও তৎসংলগ্ন এলাকার যানজট নিরসনে ও পরিবেশ উন্নয়নে উত্তরা তৃতীয় পর্ব হতে বাংলাদেশ পর্যন্ত ২০.১০ কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলাদেশের প্রথম এলিভেটেড মেট্রোরেলের নির্মাণকাজ এগিয়ে চলেছে; যেখানে ১৬ টি স্টেশন থাকবে ও উভয় দিকে ঘণ্টায় ৬০ হাজার যাত্রী যাতায়াত সুবিধা পাবে।
* সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ সম্প্রতি কার্যকর হয়েছে।
* হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালি পর্যন্ত ৮৭০৩.১১ কোটি টাকা ব্যয়ে র্যাম্পেসহ প্রায় ৪৬.৭৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পের নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে ১ হাজার ১৮৯ টি ওয়ার্কিং পাইল ড্রাইভিং, ২৩৬ টি পাইল ক্যাপ, ২০ টি ক্রস বিম, ১১৯ টি কলাম ও ১৫০ টি আই গার্ডার নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে।
* গাজীপুর হতে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত মোট ২০ কিলোমিটার বাস র্যাপিড ট্রানজিট বা বিআরটি লেনের মধ্যে সেতু বিভাগ কর্তৃক ৯৩৫.১২ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড অংশের নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। ২০২০ সাল নাগাদ এর নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

৩. রেলপথ খাত:
* ২০১১ সালে পৃথক ‘রেলপথ মন্ত্রণালয়’ গঠন করে আওয়ামী লীগ সরকার;
* বর্তমান সরকারের গত টানা দুই মেয়াদে অর্থাৎ ১০ বছরে দেশে ৩৩০.১৫ কিলোমিটার নতুন রেললাইন নির্মাণ করা হয়েছে;
* ৯১ টি স্টেশন বিল্ডিং নতুন নির্মাণ ও ২৪৮.৫০ কিলোমিটার মিটারগেজ থেকে ডুয়েলগেজে রূপান্তরকরণ;
* নতুন ৭৯ টি রেলস্টেশন নির্মাণ ও ২৯৫ টি নতুন রেলসেতু নির্মাণ;
* রেলওয়ের পরিকল্পিত উন্নয়নের জন্য ৩০ বছর মেয়াদি (২০১৬-২০৪৫) একটি মাস্টার প্লান অনুমোদন দেয়া;
* ৪৩০ টি যাত্রীবাহী কোচ পুনর্বাসন শেষে রেলওয়ে বহরে যুক্ত করা হয়েছে, যা যাত্রীসেবায় নিয়োজিত আছে;
* লালমনিরহাট থেকে বুড়িমারী পর্যন্ত ৯৫ কিলোমিটার সংস্কারকৃত ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। কালুখালী-ভাটিয়াপাড়া ও পাঁচুরিয়া-ফরিদপুর বন্ধ রেলওয়ে সেকশন পুনরায় চালু করা।

৪. নৌ-পরিবহন খাত:
* শেখ হাসিনার সরকারের গত মেয়াদে (২০০৯-১৪) ১৪ টি ড্রেজার সংগ্রহ করা হয়েছে;
* মোংলা-ঘাসিয়াখালি নৌপথ খনন করে চালু করা হয়েছে;
* বাংলাদেশের ২৪ হাজার কিলোমিটার নৌপথের মধ্যে ২০ হাজার ৪০০ কিলোমিটার নৌপথ হারিয়ে গেছে। গত ১০ বছরে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ৫৩ টি নৌপথ খননকাজ শুরু করেছে। এ পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ২৭০ কিলোমিটার নৌপথ উদ্ধার করা হয়েছে ও প্রায় ৩ হাজার একর জমি পুনরুদ্ধার করা হয়েছে;
* ঢাকার চারদিকে নদীতীরের ভূমি দখলমুক্ত রাখতে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ ও শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে ব্যাংক প্রটেকশনসহ ২০ কিলোমিটার ‘ওয়াকওয়ে’ নির্মাণ করা হয়েছে। আরও ৫০ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে;
* ২০০১-০৬ সালে বিএনপি-জামায়াত সরকারের সময় মোংলা বন্দর লোকসান করেছিল ১১.৫ কোটি টাকা;
* ২০১৭-১৮ অর্থবছরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে মোংলা বন্দর ৯৫ কোটি টাকা লাভ করেছিল।
* বৈদেশিক বাণিজ্যের সম্প্রসারণ এবং শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে শেখ হাসিনার সরকার গত মেয়াদে (২০১৩ সালের ১৯ নভেম্বর) পটুয়াখালীতে পায়রা সমুদ্রবন্দর স্থাপন করেছে;
* চট্টগ্রাম থেকে নৌপথে কন্টেইনার ঢাকায় আনা নেয়ার জন্য ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার পানগাঁওয়ে বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়ে বার্ষিক ১ লাখ ১৬ হাজার টিইইউস কন্টেইনার হ্যান্ডেলিংয়ের সংস্থানসহ কন্টেইনার টার্মিনাল নির্মাণ করা হয়েছে।



এই পাতার আরও সংবাদ:-





DMCA.com Protection Status
টিম-নরসিংদী প্রতিদিন এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে শাহিন আইটি এর একটি প্রতিষ্ঠান-নরসিংদী প্রতিদিন-
Theme Customized BY WooHostBD