1. khandakarshahin@gmail.com : Breaking News : Breaking News
  2. laxman87barman@gmail.com : laxman barman : laxman barman
  3. shahinit.mail@gmail.com : narsingdi : নরসিংদী প্রতিদিন
  4. msprovat@gmail.com : ms provat : ms provat
  5. hsabbirhossain542@gmail.com : সাব্বির হোসেন : সাব্বির হোসেন
মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ০৪:৫৬ অপরাহ্ন

বিজ্ঞাপণ দিতে ০১৭১৮৯০২০১০

জিম্বাবুয়েকে আবারো হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ

ডেস্ক রিপোর্ট | নরসিংদী প্রতিদিন
  • প্রকাশের তারিখ | শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২০
  • ২১ পাঠক

স্পোর্টস ডেস্ক | নরসিংদী প্রতিদিন-
শনিবার,০৭ মার্চ ২০২০:
মাশরাফি বিন মুর্তজার নেতৃত্বের বিদায়ী ম্যাচে ডাকওয়ার্থ ও লুইস পদ্ধতিতে ১২৩ রানে জিতে সফররত জিম্বাবুয়েকে আবার হোয়াইটওয়াশ করেছে বাংলাদেশ। ফলে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে জিম্বাবুয়েকে টানা চতুর্থবারের মতো হোয়াইটওয়াশ করল টাইগাররা। এই জয়ের মাধ্যমে অধিনায়ক হিসেবে ওয়ানডেতে ৫০ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড গড়লেন মাশরাফি। তাই জয়ের হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নিয়ে অধিনায়কত্বের অধ্যায় শেষ করলেন বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল দলপতি মাশরাফি।

শুক্রবার সিলেট আর্ন্তজাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে টসে হেরে প্রথম ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। ‘অধিনায়ক’ হিসেবে মাশরাফির বিদায়ী ম্যাচকে জয় দিয়ে স্মরনীয় করে রাখাই প্রধান লক্ষ্য ছিলো তামিম-লিটন-মাহমুদুল্লাহদের। জয়ের ভিত গড়তে বাংলাদেশের হয়ে ইনিংস শুরু করেন দুই ওপেনার তামিম-লিটন। উইকেট ধরে রেখে খেলার দিকেই মনোযোগী ছিলেন তারা। তাই প্রথম পাওয়ার প্লেতে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৫৩ রান করে বাংলাদেশ। ১৬তম ওভারে ৫৪ বলে হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন লিটন। তবে দলের স্কোর শতরানে পৌঁছেছে ১৯তম ওভারে। সর্তকতার সাথে শুরু করে ৬০তম বলে হাফ-সেঞ্চুরির দেখা পান তামিম। তবে অন্যপ্রান্তে বলের সাথে পাল্লা দিয়ে রান তুলছিলেন লিটন।

ইনিংসের ৩৩তম ওভারের শেষ বলে জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক ও স্পিনার সিন উইলিয়ামসকে বাউন্ডারি মেরে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের তৃতীয় ও সিরিজে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন লিটন। এজন্য তিনি বল মোকাবেলা করেছেন ১১৪টি। সেঞ্চুরির আগে সাবধনতার কারনে কিছু ডট বলও দেন লিটন। লিটনের সেঞ্চুরি পাবার পরের ওভারে বৃষ্টির কারনে বন্ধ হয় খেলা। এসময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৩৩ দশমিক ২ বলে বিনা উইকেটে ১৮২ রান। লিটন ১১৬ বলে ১০২ ও তামিম ৮৪ বলে ৭৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। দ্বিতীয় দফায় ব্যাট হাতে নেমে ভয়ঙ্কর রুপ দেখিয়েছেন লিটন-তামিম। বিশেষভাগে লিটন। বৃষ্টির পর ব্যাট হাতে নেমে ২৭ বল খেলে ৭৪ রান করেছেন লিটন। তামিম করেছেন ২৫ বলে ৪৯ রান। এসময় ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১৩তম ও সিরিজের টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরির স্বাদ নেন তামিম। শেষ পর্যন্ত ১৬টি চার ও ৮টি ছক্কায় ১৪৩ বলে ১৭৬ রান করেন লিটন। লিটনের পর ক্রিজে এসে ৩ রানে থামেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। এরপর ব্যাট হাতে নামেন অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা আফিফ হোসেন। ইনিংসের শেষ বলে আউট হওয়ার আগে ৪ বলে ৭ রান করেন আফিফ। ৭টি চার ও ৬টি ছক্কায় ১০৯ বলে ১২৮ রানে অপরাজিত থাকেন তামিম। ৪৩ ওভারে ৩ উইকেটে ৩২২ রান করে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের পেসার মুম্বা ৬৯ রানে ৩ উইকেট নেন।

বাংলাদেশ ৩২২ রান করায় বৃষ্টি আইনে ৪৩ ওভারে ৩৪২ রানের বড় টার্গেট পায় জিম্বাবুয়ে। সেই লক্ষ্যে জিম্বাবুয়ের ইনিংস শুরু করেন তিনাসি কামুনহুকামবে ও রেগিস চাকাবা। বল হাতে আক্রমনে ছিলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মাশরাফি। ওভারের চতুর্থ বলেই উইকেটে পেছনে ৪ রান করা কামুনহুকামবকে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন ক্যাপ্টেন ফ্যান্টাসিক। ১৪ রান করে বাংলাদেশের পেসার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের শিকার হন টেইলর। এরপর দলের হাল শক্ত হাতে ধরার চেষ্টা করেছিলেন আরেক ওপেনার চাকাবা ও অধিনায়ক উইলিয়ামস। দেখেশুনে খেলে বড় জুটি গড়ার চেষ্টায় ছিলেন তারা। সাফল্যের দিকেই এগোচ্ছিলেন চাকাবা ও উইলিয়ামস। তবে এই জুটিকে বিচ্ছিন্ন করে দেন পঞ্চম বোলার হিসেবে আক্রমনে আসা আফিফ। নিজের প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই উইকেট শিকারের আনন্দে মাতেন আফিফ। উইলিয়ামসকে ৩০ রানে আউট করেন তিনি। অধিনায়ক ফিরে যাবার ওয়েসলি মাধভেরেকে নিয়ে দলের স্কোর শতরান অতিক্রম করান চাকাবা। আগেরটি মত এই জুটিও বড় হতে থাকে। কিন্তু এখানে বাঁধ সাধেন বাংলাদেশের স্পিনার তাইজুল। ৪৫ বলে ১টি চারে ৩৪ রান করা চাকাবাকে বোল্ড করেন তাইজুল।
চাকাবার বিদায়ে উইকেটে আসেন শততম ম্যাচ খেলতে নামা রাজা। মারমুখি মেজাজে খেলতে থাকেন মাধভেরে-রাজা। কিন্তু এই জুটিও ভালো কিছুই ইঙ্গিত দিয়ে ৩৭ রানে আটকে যায়। ৪২ বলে ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ৪২ রান করা মাধভেরেকে শিকার করে জুটি ভাঙেন সাইফউদ্দিন।

সাত নম্বরে নামা রিচমন্ড মুতুম্বামি দুভার্গ্যের শিকার হন। রানের খাতা খোলার আগেই শূন্য হাতে ফিরেন তিনি। ব্যাট হাতে এবার আর সুবিধা করতে পারেননি তিনোতেন্ডা মুতোমবদজি। ৭ রান করে পেসার মুস্তাফিজুর রহমানের প্রথম শিকার হন মুতোমবদজি। এতে ১৭৩ রানে সপ্তম উইকেট হারিয়ে ম্যাচ হারের পথ দেখে ফেলে জিম্বাবুয়ে। এরপর রাজার লড়াকু ইনিংসে জিম্বাবুয়ের স্কোর দুশ পেরোয়। শেষ পর্যন্ত রাজার হাফ সেঞ্চুরিতে ৩৩ বল বাকি থাকতেই ২১৮ রান পর্যন্ত করতে সক্ষম হয় জিম্বাবুয়ে। ৫০ বলে ৫টি চার ও ২টি ছক্কায় ৬১ রান করেন রাজা। বাংলাদেশের সাইফউদ্দিন ৪১ রানে ৪টি উইকেট নেন। এছাড়া তাইজুল ২টি, মাশরাফি-মুস্তাফিজ-আফিফ ১টি করে উইকেট নেন।



এই পাতার আরও সংবাদ:-



বিজ্ঞাপণ দিতে ০১৭১৮৯০২০১০



DMCA.com Protection Status
টিম-নরসিংদী প্রতিদিন এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে শাহিন আইটি এর একটি প্রতিষ্ঠান-নরসিংদী প্রতিদিন-
Theme Customized BY WooHostBD