1. khandakarshahin@gmail.com : Breaking News : Breaking News
  2. laxman87barman@gmail.com : laxman barman : laxman barman
  3. shahinit.mail@gmail.com : narsingdi : নরসিংদী প্রতিদিন
  4. msprovat@gmail.com : ms provat : ms provat
  5. hsabbirhossain542@gmail.com : সাব্বির হোসেন : সাব্বির হোসেন
বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন

৯ মাস পর নাসিরের মরদেহ উত্তোলন

ডেস্ক রিপোর্ট | নরসিংদী প্রতিদিন
  • প্রকাশের তারিখ | বুধবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

হত্যার নয় মাস পর মুঠোফোনের কল রেকর্ডসের সূত্র ধরে উদঘাটিত বরগুনার নাসির হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কবর খুড়ে উত্তোলন করা হয়েছে। বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের বরইতলা এলাকায় নিহত নাসিরের বাড়িতে দাফন করা কবর থেকে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট, চিকিৎসক ও পুলিশ কর্মকর্তাদের উপস্থিতি মরদেহ উত্তোলন করা হয়।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মামলার তদন্তের সার্থে বরগুনার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন। নির্দেশের আলোকে বুধবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর আহমেদ, বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার জয়রাজ হোসেন ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা স্বরজিত কুমারের উপস্থিতিতে কবর খুড়ে মরদেহ উত্তোলন করা হয়। মরদেহের অবশিষ্টাংশ বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেখানে ময়নাতদন্ত শেষে ফরেনসিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য মহাখালী ল্যাবে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

বুধবার বেলা সাড়ে এগারটার দিকে বরগুনার ঢলুয়া ইউনিয়নের বরইতলা এলাকায় নাসিরের বাড়ির কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন করা হয়। এসময় নাসিরের স্বজন, এলাকাবাসী ও উৎসুক জনতা ভিড় জমায়।

বরগুনা সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) শহীদুল ইসলাম জানান, ২০২০ সালের ২৩ মে রাতে বরগুনা সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের গুলবুনিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নাসির হাওলাদার নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করে। মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল স্ট্রোক। মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর স্বাভাবিক ভাবেই তার মরদেহ দাফন সম্পন্ন করেন নাসিরের স্বজনরা। এ ঘটনার নয় মাস গত ১০ ফেব্রুয়ারি একটি মোবাইল ফোনে নাসিরকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার কথোপকথনে রেকর্ড ফাঁস হয়। ওই রেকর্ড পুলিশের কাছে পৌঁছানোর পর বুধবার রাতেই নাসিরের ভাই আবদুল জলিল বরগুনা সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

এরপর পুলিশ নাসিরের স্ত্রী ফাতেমা মিতু (২৪) এবং মিতুর পরকীয়া প্রেমিক রাজু মিয়াকে (২০) আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্ত্রী মিতু ও তার সহযোগী রাজু নাসিরকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

নিহত নাসির বরগুনা সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের গোলবুনিয়া এলাকার গয়েজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি গোলবুনিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন।

গ্রেফতার ফাতেমা মিতু বরগুনা সদর উপজেলার আয়লা-পাতাকাটা এলাকার মাহতাব মৃধার মেয়ে। তিনি বরগুনার থানাপাড়া এলাকায় বাবার ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। রাজু মিয়া ঢলুয়া ইউনিয়নের গোলবুনিয়া এলাকার বারেক মিয়ার ছেলে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি অপরাশেন) স্বরজিত কুমার জানান, চাঞ্চল্যকর এ হত্যার ঘটনায় দায়ের মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ১২ ফেব্রুয়ারি বরগুনা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রে আদালতের কাছে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের আবেদন করি। আবেদনের প্রেক্ষিতে ১৮ ফেব্রয়ারি আদালতের বিচারক ইয়াসিন আরাফাত মরদেহ কবর থেকে উত্তোন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন।



এই পাতার আরও সংবাদ:-





DMCA.com Protection Status
টিম-নরসিংদী প্রতিদিন এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে শাহিন আইটি এর একটি প্রতিষ্ঠান-নরসিংদী প্রতিদিন-
Theme Customized BY WooHostBD