1. nahidprodhan143@gmail.com : নরসিংদী প্রতিদিন : নরসিংদী প্রতিদিন
  2. khandakarshahin@gmail.com : Breaking News : Breaking News
  3. laxman87barman@gmail.com : laxman barman : laxman barman
  4. shahinit.mail@gmail.com : narsingdi : নরসিংদী প্রতিদিন
  5. msprovat@gmail.com : ms provat : ms provat
  6. hsabbirhossain542@gmail.com : সাব্বির হোসেন : সাব্বির হোসেন
  7. subeditor@narsingdipratidin.com : Narsingdi Pratidin : Narsingdi Pratidin
সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন



নষ্টটা রেখে ভালো কিডনি কাটলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক!

নিজস্ব প্রতিবেদক | নরসিংদী প্রতিদিন-
  • প্রকাশের তারিখ | মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই, ২০২১

ইটভাটা শ্রমিক আজিমুল খান। বেশ কিছুদিন ধরে কিডনির সমস্যায় ভুগছেন তিনি। এর জেরে আজিমুলের স্ত্রী খালেদা বেগম তাকে নিয়ে বেসরকারি হাসপাতাল আল খলিল হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যান। সেখানকার চিকিৎসক শফিকুল ইসলামকে দেখানো হয় এই ইটভাটা শ্রমিককে।

বিভিন্ন পরীক্ষা করার পর চিকিৎসক আজিমুলের বাম পাশের কিডনিতে পাথর আছে বলে জানান। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কিডনির পাথর অপসারণের পরামর্শ দেন তিনি। বেসরকারি হাসপাতালে অপারেশন করার মতো সামর্থ্য নেই আজিমুলের পরিবারের। তা জানার পর আজিমুলকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে অপারেশন করানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসক শফিকুল ইসলাম।

চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী গত ১৯ জুন আজিমুলকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। আর ২৭ জুন তার অপারেশন করানো হয়। সেই অপারেশন করেন চিকিৎসক শফিকুল ইসলাম।

গত ৮ জুলাই আজিমুলের ব্যান্ডেজ খোলা হয়। তখন খালেদা স্বামী আজিমুলের নাভীর দুই পাশে সেলাই দেখতে পান। বামপাশের কিডনিতে পাথর কিন্তু শরীরের ডানপাশে কাটার চিহ্ন দেখে তার সন্দেহ হয়। এর জেরে পরিবারের লোকজন আজিমুলের সব পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রতিবেদন অন্যান্য চিকিৎসককে দেখান। পরে খালেদাসহ পরিবারের লোকজন নিশ্চিত হন যে, ওই চিকিৎসক আজিমুলের ভুল চিকিৎসা করেছেন। ঘটনাটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার। আজিমুল খান সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ জাঙ্গাল গ্রামের বাসিন্দা।

এ ঘটনায় রোববার (১১ জুলাই) বিকেলে আজিমুলের স্ত্রী হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এর জেরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সোমবার ডা. শাহীনাজ জাহানকে প্রধান করে চার সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।

তদন্ত কমিটির অন্যরা হলেন- সদস্য সচিব আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা রানা নুরুস শামস, সদস্য ফখরুল আলম আশেক ও এ কে এম নিজাম উদ্দিন। আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে আজিমুলের স্ত্রী খালেদা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী ইটভাটায় কাজ করত। এক ছেলে-মেয়ে ও শ্বশুর-শাশুড়িসহ ছয়জনের সংসারে একমাত্র স্বামীই উপার্জন করে। ওই চিকিৎসক অসৎ উদ্দেশ্যে আমার স্বামীর শরীরের বামপাশের পরিবর্তে দুই পাশ কেটেছেন। এতে আমার স্বামী অচল হয়ে পড়েন।’

এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য চিকিৎসক শফিকুল ইসলামের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ও তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব রানা নুরুস শামস বলেন, ‘আমরা এখনও তদন্ত কাজ শুরু করিনি। আমরা কমিটির বাকি সদস্যদের তদন্তের জন্য চিঠি পাঠিয়েছি। সাত কার্যদিবসের মধ্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা কোথায় কী হয়েছে তদন্ত করে মতামত দেবেন।’

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক (চলতি দায়িত্ব) মোহাম্মদ ওয়াহীদুজ্জামান বলেন, ‘এ ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনা তদন্তের জন্য চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছি। তাদেরকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।’

এই পাতার আরও সংবাদ:-





টিম-নরসিংদী প্রতিদিন এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে শাহিন আইটি এর একটি প্রতিষ্ঠান-
Theme Customized BY WooHostBD