1. khandakarshahin@gmail.com : Breaking News : Breaking News
  2. laxman87barman@gmail.com : laxman barman : laxman barman
  3. shahinit.mail@gmail.com : narsingdi : নরসিংদী প্রতিদিন
  4. msprovat@gmail.com : ms provat : ms provat
  5. hsabbirhossain542@gmail.com : সাব্বির হোসেন : সাব্বির হোসেন
শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন

সেতুটির উপকারভোগী নেই!

হারুনুর রশীদ | নরসিংদী প্রতিদিন-
  • প্রকাশের তারিখ | বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই, ২০২১

নরসিংদীর রায়পুরায় ৩০ ফুট দৈর্ঘ্য এ সেতুটির কোন উপকারভোগী না থাকায় নিরব দাঁড়িয়ে আছে সেতুটি। উপজেলার নিলক্ষা ইউনিয়নের হরিপুর বাজার সংলঘ্ন মেঘনার শাখা নদীর উপর লোকালয়ের সড়কে এ সেতুটি কার স্বার্থে নির্মাণ করা হয়েছে তা আজও অজানা এলাকাবাসীর। সেতুটি নির্মাণের এক বছরেরও অধিক সময় অতিক্রান্ত হলেও এর সংযোগ সড়ক না থাকায় মানুষের কোন উপকারেই আসছেনা বলে জানান সেতুটির দুপাশের মানুষ।
শুষ্ক মৌসুমে সেতুটির পাশ দিয়ে চলাচল করলেও বর্ষা মৌসুমে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন হরিপুর, গোপিনাথপুরসহ কয়েকটি গ্রামের শিক্ষার্থীসহ জনসাধারণের।
জানা যায়, এলাকাবাসীর চলাচলের স্বার্থে এবং গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ ২৫ লাখ ৮৪ হাজার ১৩১ টাকা ব্যয়ে নিলক্ষা ইউনিয়নের হরিপুর বাজার সংলঘ হরিপুর-গোপিনাথপুর সড়কের মেঘনার শাখা নদীর উপর ৩০ ফুট দীর্ঘ সেতুটি নির্মাণ করে। সেতুটি নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করে মেসার্স স্বর্ণ এন্টারপ্রাইজ নামক একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।
সেতু নির্মাণকালে এর দু”পাশে একশ’ ফিট করে সংযোগ সড়ক করার বিধান থাকলেও উক্ত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান তা না করেই প্রায় সাত আটমাস আগে কাজ শেষ করে চলে যায়।শুষ্ক সংযোগ সড়কের অভাবে সেতুটির পাশ দিয়ে এলাকাবাসীসহ স্কুল গামী ছাত্র-ছাত্রীরা কোন রকমে চলাচল করতে পারলেও,বর্ষা মৌসুমে তা সম্ভব। ফলে সংযোগ সড়কের অভাবে পুরো রাস্তাটিই চলাচলের ক্ষেত্রে অকেজো হয়ে পড়ে। যার ফলে স্থানীয়দের কয়েক কিলোমিটার পথ ঘুরে আসতে হয়। বছরের প্রায় অর্ধেকের বেশী সময়ই বিড়ম্বনায় ভোগতে হয়।
গোপিনাথপুর গ্রামে হালিম মিয়া বলেন,’এই রাস্তাটি দিয়ে আমরা গোপিনাপুরবাসী অল্প সময়ের মধ্যে হরিপুর বাজারে যাতায়ত করতে পারি। এতোদিন শুকনার দিন থাকায় নতুন হওয়া সেতুটির পাশ দিয়ে আমরা চলাচল করতে পারলেও এখন বর্ষার সময়ে তা আর সম্ভব হবে না। আমাদের চলাচলের সুবিধার জন্য যদি এই সেতুটি তৈরি করা হয় তাহলে সেতুর রাস্তা করা হল না কেন?’
অহিদ মিয়া নামে অপর এক বাসিন্দা বলেন,’ সেতুটি কি আমাদের এলাকাবসীর স্বার্থে নাকি অন্য কারো স্বার্থে এই সেতুটি করা হয়েছে এটা কারও ভুদগম্ম হয় না। এলাকার বাসিন্দাদের এখন এটাই জানার বিষয়,করা সার্থে এই সেতু?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় স্কুল শিক্ষক বলেন,সরকার এলাকাবাসী উন্নয়নে কাজ করলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঠিক নজরদারী ও খামখেয়ালীপনার কারনে সেই উন্নয়ন কর্মকান্ডগুলো জনসাধারণের কোন কোন কাজেই আসছে না। তার বাস্তব প্রমাণ হরিপুর-গোপিনাথপুর সড়কের এই সেতুটি।’
যে সেতু জনগণের কাজের আসে না, সেই সেতুটি কার স্বার্থে নির্মাণ করা হয়েছে এটাই এখন জনমনে প্রশ্ন।
নিলক্ষা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.তাজুল ইসলাম বলেন, আমার জানা মতে গত বছর তারা দু’পাশেই ২৫ হাজার টাকার মাঠি ফালানো হয়েছিলো। ব্রিজটি নদীর পাশে হাওয়ায় পাশদিয়ে গাইড ওয়াল না থাকায় গত বছর হটাৎ পানি উঠে মাঠি সরিয়ে দেয়। শুকনো মৌসুমে এলজিএসপির প্রজেক্টে কিছু গাইডওয়াল করা হয়েছে। পিআইওএর সাথে এ ব্যাপারে কথা হয়েছে। বর্ষার পর পর রাস্তার সংযোগ করে দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক মোঃ জাহাঙ্গির আলমের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা বার বার চেষ্টা করে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
এ ব্যাপারে রায়পুরা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো.বোরহান উদ্দিন বলেন, গত বছর এই রাস্তায় মাঠি বরাট করা হয়েছিলো। নদীর পাশে হওয়ায় গাইড ওয়াল না থাকায় অতি বর্ষায় মাঠি সরেছে। এখন বর্ষা মৌসুম এখন কাজ করা যাবে না। বর্ষা চলে গলেই পেলা সাই টিং করে সংযোগ করে দেয়া হবে।



এই পাতার আরও সংবাদ:-





টিম-নরসিংদী প্রতিদিন এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে শাহিন আইটি এর একটি প্রতিষ্ঠান-
Theme Customized BY WooHostBD