1. khandakarshahin@gmail.com : Breaking News : Breaking News
  2. laxman87barman@gmail.com : laxman barman : laxman barman
  3. shahinit.mail@gmail.com : narsingdi : নরসিংদী প্রতিদিন
  4. msprovat@gmail.com : ms provat : ms provat
  5. hsabbirhossain542@gmail.com : সাব্বির হোসেন : সাব্বির হোসেন
শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:৩৯ অপরাহ্ন

বিজ্ঞাপণ দিতে ০১৭১৮৯০২০১০

পাহাড়ি ঢলে আধাপাকা ধান কাটছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃষকরা

নিউজ ডেস্ক | নরসিংদী প্রতিদিন-
  • প্রকাশের তারিখ | রবিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২২
  • ২৭৩ পাঠক

কয়েকদিন পার হলেই পাকা ধান ঘরে তুলবে, সেই মোতাবেক প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন হাওয়র অঞ্চলের কৃষকরা। পরিশ্রম করে বুনা ফসল ঘরে উঠাবেন। সংসারের অভাব দূর হবে সে স্বপ্ন ছিল তাদের। কিন্তু আকস্মিক পাহাড়ি ঢল ও হঠাৎ করে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধিতে কেড়ে নেয় তাদের মুখের হাসি।

তাই বাধ্য হয়ে কাঁচা ও আধা পাকা ধান কেটে নিচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাসিরনগর উপজেলার হাওয়র অঞ্চলের কৃষকরা। এতে আর্থিকভাবে ক্ষতির শিকার হওয়া এসব কৃষকের চোখে-মুখে এখন হতাশার ছাপ।

জেলা কৃষি অফিস জানায়, চলতি মৌসুমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় এক লাখ ১১ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধরণ করা হয়। এর মধ্যে হাওর এলাকায় আবাদ হয়েছে ৩২ হাজার ২ হেক্টর জমিতে।

সরেজমিন দেখা যায়, পানিতে থাকা আধা পাকা ধান কাটছে কৃষকরা। তাদের চোখে মুখে অনিশ্চয়তার ছাপ। যে ধান কাটা হচ্ছে তার বেশিরভাগই কাজে লাগবে না। তবু উপায় না থাকাই এসব কাঁচা ধান কাটতে হচ্ছে তাদের। নদীর দু’পারে ধানি জমিগুলোর কোনটি তলিয়ে গেছে আবার কোনটির শীষ পর্যন্ত পৌঁছে গেছে পানি।

একাধিক কৃষকরা জানিয়েছেন, এক কানি প্রতি জমি আবাদ করতে তাদের খরচ হয়েছে ৫/৬ হাজার টাকা। অসময়ে ধান কাটতে বাধ্য হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত ফলন পাবেন না। আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে এখন তারা দিশেহারা।

কৃষক বাবুল মিয়া বলেন, অনেক ধার-দেনা করে ২০ কানি জমিতে বিয়ার আঠাইশ ধান চাষ করেছি। জমি থেকে প্রায় পাঁচশ মণ ধান পাওয়ার কথা থাকলেও অসময়ে কেটে ফেলায় এখন এক থেকে দেড়শ মণ ধান পাওয়া যেতে পারে।

কৃষক ইসমাইল মিয়া বলেন, প্রতিবছর চলতি সময়ের চেয়ে দুই সপ্তাহ পর পানি আসে কিন্তু এবার আকস্মিকভাবে আগেই পানি চলে আসায় কয়েক হাজার কানি ধানি জমির ফসল হুমকির মুখে।

নাসিরনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু সাইদ তারেক বলেন, পানিতে তলিয়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আউশ আবাদ প্রণোদনার আওতায় আনা হবে। তবে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণ করতে কিছুটা সময় লাগবে।

অন্যদিকে কৃষি অফিসের দেওয়া তথ্য মতে, কিশোরগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নাসিরনগরের বিভিন্ন হাওর ও নদীতে পানি বেড়েছে। উপজেলার নাসিরপুর ও গোয়ালনগরে সব মিলিয়ে প্রায় ৭০/৮০ বিঘা জমির ধান নষ্ট হয়েছে পানিতে।



সংবাদটি শেয়ার করিুন

এই পাতার আরও সংবাদ:-



বিজ্ঞাপণ দিতে ০১৭১৮৯০২০১০



DMCA.com Protection Status
টিম-নরসিংদী প্রতিদিন এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে জেলার সর্ববৃহৎ অনলাইন সংবাদপত্র-
Theme Customized BY WooHostBD