1. khandakarshahin@gmail.com : Breaking News : Breaking News
  2. laxman87barman@gmail.com : laxman barman : laxman barman
  3. shahinit.mail@gmail.com : narsingdi : নরসিংদী প্রতিদিন
  4. msprovat@gmail.com : ms provat : ms provat
  5. hsabbirhossain542@gmail.com : সাব্বির হোসেন : সাব্বির হোসেন
বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞাপণ দিতে ০১৭১৮৯০২০১০

স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে নৌকায় ভোট দিন : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট | নরসিংদী প্রতিদিন
  • প্রকাশের তারিখ | সোমবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১৫৪ পাঠক

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকের বাংলাদেশ বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আবারও নৌকায় ভোট দিন।

সোমবার (১৩ নভেম্বর) বিকেলে খুলনার সার্কিট হাউস ময়দানে খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার একটাই লক্ষ্য, এ দেশের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন করা। নৌকায় ভোট দিয়েছেন বলেই আমরা উন্নয়শীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। অপ্রতিরোধ্য গতিতে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে ক্ষমতায় এসেছি। ধারাবাহিক গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রয়েছে। গণতন্ত্র আছে বলেই দেশের উন্নয়ন হচ্ছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে মোংলা বন্দর বন্ধ করে দিয়েছিলেন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে আবার তা চালু করেছে। নৌকায় ভোট দিলে স্মার্ট জনগোষ্ঠী, স্মার্ট সরকার, স্মার্ট অর্থনীতি হবে। বাংলাদেশ হবে আধুনিক প্রযুক্তির জ্ঞানসম্পন্ন উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ।’

প্রধানমন্ত্রী নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘বারবার সরকার গঠন করেছি, আমার তো আর চাওয়া-পাওয়ার কিছু নেই। আমি মানুষের ভাগ্য বদল করতে চাই। বাংলাদেশের জনগণ আমার পরিবার। আপনারাই বারবার ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে নির্বাচিত করেছেন।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত এই দেশে নির্বাচন হতে দিতে চায় না। অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়। যদি আবারও গাড়িতে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করে, ওই হাত আগুনে পুড়িয়ে দেবেন। উপযুক্ত শিক্ষা দিয়ে দেবেন। যেন আর কেউ সাহস না পায় মানুষের ক্ষতি করতে।’

বিএনপিকে মুণ্ডুহীন দল মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আগুন দিয়ে যারা মানুষ মারে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। বিএনপি-জামায়াতের কাজই আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারা। বিএনপি-জামায়াত ২০০৮-এ মাত্র ৩০টি আসন পেয়েছে। বিএনপি জানে তাদের নেতা নেই। মুণ্ডুহীন একটা দল, একটা পলাতক আসামি, আরেকটা কারাগারের আসামি।’

ওদের মধ্যে মনুষত্ববোধ নেই। কীভাবে পুলিশ পিটিয়ে হত্যা করেছে, কীভাবে সাংবাদিকদের পিটিয়েছে। এ ধরনের ঘটনা যেন আর ঘটাতে না পারে। প্রতিটি এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে আওয়ামী লীগসহ সহযোগী নেতা-কর্মীদের মানুষের নিরাপত্তা দেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় আসে, তখন জনগণের উন্নয়ন হয়। দুর্ভাগ্যের বিষয়, বিএনপি মানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। বিএনপি-জামায়াতের কাজই হচ্ছে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারা। মানুষ খুন তাদের একমাত্র গুণ। বিএনপি-জামায়াতের আর কোনো গুণ নেই। ২৮ অক্টোবর কীভাবে তারা পুলিশকে মাটিতে ফেলে পিটিয়ে হত্যা করেছে। বেহুঁশ হয়ে গেছে তাও ছাড়েনি। ৪৫ জন পুলিশ আহত হয়েছে। সাংবাদিকদেরও ছাড়েনি। সাংবাদিকদের তারা পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। রাজারবাগ পুলিশ স্টেশনে ঢুকে হাসপাতালে আক্রমণ করেছে। কয়েকটা অ্যাম্বুলেন্স ভেঙেছে, পুড়িয়ে দিয়েছে।’

এর আগে প্রধানমন্ত্রী বেলা পৌনে ৩টায় খুলনা সার্কিট হাউস ময়দানে ২৪টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও পাঁচটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এ সময় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে করে দুপুর পৌনে ১টায় খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে নির্মিত হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন। এরপর বেলা ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত সার্কিট হাউসে বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন।

জনসভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক।

বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র শেখ হেলাল উদ্দিন এমপি, শেখ সালাউদ্দিন জুয়েল এমপি, শেখ সারহান নাসের তন্ময় এমপি, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হারুনুর রশিদ, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই আলম চৌধুরী লিটন এমপি, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহমান এমপি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবউল আলম হানিফ, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, নড়াইল-১ আসনের এমপি মাশরাফি বিন মর্তুজা, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক এমপি, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী স ম রেজাউল করিম এমপি, বন ও পরিবেশ উপমন্ত্রী হাবিবুর নাহার এমপি, পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম।

সমাবেশে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘শেখের বেটির ওপর আস্থা রাখুন। তাকে কোনো অপশক্তি হটাতে পারবে না। বাংলার জনগণ তার সঙ্গে আছে, থাকবে। সরকার হটানোর চক্রান্ত সফল হবে না।’

তিনি বলেন, ‘জানুয়ারিতে ফাইনাল খেলা। শক্তি রাখুন, নিজেরা শক্তিমান হোন। আমাদের ভয় পাওয়ার কিছুই নেই। সব অপশক্তি আমাদের সামনে ভেঙেচুরে ছত্রভঙ্গ হয়ে যাবে। সাহস নিয়ে রাস্তায় দাঁড়াবেন। আক্রমণ করলে পাল্টা আক্রমণ। দুষ্কৃতকারীদের ছাড়া হবে না।’

সমাবেশে আরও বক্তৃতা করেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য নির্মল কুমার চ্যাটার্জী, বাগেরহাট-৪ আসনের এমপি আমিরুল আলম, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য খায়রুজ্জামান কল্পনা, বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ভূঁইয়া এনায়েত উদ্দিন, ঝিনাইদহ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিঠু, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, বটিয়াঘাটা উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম, সংরক্ষিত আসনের এমপি অ্যাডভোকেট গ্লোরিয়া ঝর্না, খুলনা-৫ আসনের এমপি নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, খুলনা-৪ আসনের এমপি আবদুস সালাম মুর্শেদী, খুলনা-৬ আসনের এমপি আখতারুজ্জামান বাবু, নগর আওয়ামী লীগের সদস্য শিল্পী আক্তার, জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি বি এম জাফর, জেলা যুবলীগের সভাপতি চৌধুরী মোহাম্মদ রায়হান ফরিদ, খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শেখ মো. আবু হানিফ, মহানগর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ শাহজালাল হোসেন সুজন, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. পারভেজ হাওলাদার, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রাসেল।

সমাবেশ সঞ্চালনা করেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, জেলা সাধারণ সম্পাদক সুজিত অধিকারী, সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক এস এম কামরুজ্জামান জামাল।

তিন স্তরের কঠোর নিরাপত্তাবলয়

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার খুলনায় আগমন ও সার্কিট হাউস ময়দানের মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে তিন স্তরের কঠোর নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলা হয়। সমাবেশস্থল ও এর আশপাশে পোশাক ও সাদা পোশাকের পুলিশ এবং সমাবেশস্থলের বাইরে মেট্রোপলিটন পুলিশ, জেলা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশ, নৌ-পুলিশ ও র‌্যাবের সমন্বয়ে নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলা হয়।

সার্বিক নিরাপত্তায় সার্কিট হাউস ময়দান ও আশপাশের এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনসহ সব ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা বিভাগের সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করেন।

২৮টি স্থানে সরাসরি সম্প্রচার

সমাবেশস্থল থেকে দুই কিলোমিটার দূরে শিববাড়ী মোড়, সঙ্গিতা সিনেমা হল মোড়, শহীদ হাদিস পার্কসহ নগরীর ২৮টি স্থানে এলইডি মনিটরে (জায়ান্ট স্ক্রিন) প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ সরাসরি দেখানো হয়।

নেতা-কর্মীদের ভিড় ঠেলে যারা জনসভাস্থলে যেতে পরেননি তারা সড়কের মোড়ে দাঁড়িয়ে এলইডি মনিটরে জনসভার কার্যক্রম দেখেন। এতে উচ্ছ্বাস-আগ্রহ দেখা গেছে দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে।



সংবাদটি শেয়ার করিুন

এই পাতার আরও সংবাদ:-



বিজ্ঞাপণ দিতে ০১৭১৮৯০২০১০



DMCA.com Protection Status
টিম-নরসিংদী প্রতিদিন এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে শাহিন আইটি এর একটি প্রতিষ্ঠান-নরসিংদী প্রতিদিন-
Theme Customized BY WooHostBD