| ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৯শে মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী | বৃহস্পতিবার

রূপপুরের বালিশ কেলেঙ্কারিতে প্রেসক্লা‌বে ‘বা‌লিশ বিক্ষোভ’

নিউজ ডেস্ক | নরসিংদী প্রতিদিন-
সোমবার,২০ মে ২০১৯:
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থাকার জন্য নির্মিত ভবনের জন্য কেনা বালিশ কেলেঙ্কারির অভিযোগে ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লা‌বের সাম‌নে বালিশ বি‌ক্ষোভ করেছে বাংলাদেশ গণঐক্য।

সোমবার (২০ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বালিশ হাতে প্রতিবাদে এ বি‌ক্ষোভ ও মানববন্ধন ক‌রেন তারা।

বালাদেশ গণঐক্য সভাপতি আরমান হোসেন পলাশের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন বলেন, ‘উন্নয়নের অন্তরালে মহালুটপাটে মহাব্যস্ত মহাজোট সরকার। আমি নতুন প্রজন্মের একজন রাজনীতিক কর্মী হিসেবে যখন দেখি মেগা প্রজেক্টে মহা লুটপাটের উৎসব চলছে তখন আমি হতাশ হই।’

তিনি বলেন, ‘ইতিহাসে যদি লক্ষ্য করি, ১৯৭১ সালে বৈষম্য-দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ হয়েছিল। লক্ষ্য ছিল মানুষের অধিকার থাকবে, ভোটের অধিকার থাকবে, গণতন্ত্র থাকবে, হবে একটি সুন্দর বাংলাদেশ। কিন্তু সব কিছুই আজ বনবাসে গিয়েছে। মানুষ কথা বলতে পারছে না, ভোট দিতে পারছে না। এ সুযোগ নিয়ে মহালুটপাটে মেতে উঠেছে সরকার। মানুষের ঘৃণা তাদের চোখে পড়ে না।’

‘রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে যখন দেখি বুয়ার বেতন, গাড়ি চালকের বেতন, প্রকল্প পরিচালকের বেতন, সর্বশেষ বালিশের দাম ও তোলার দাম আকাশ চুম্বি, তখন জাতি হিসেবে আমরা লজ্জিত। যখন দেখি কৃষক ধানের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে ধানক্ষেতে আগুন দেয়, বিশ্বজিতকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার পর বিচার হয় না, যখন ফেলানির লাশ কাঁটা তারে ঝুলে থাকে। বিচার কার কাছে চাইবো কূল পাই না।’

বাংলাদেশ গণঐক্য সভাপতি আরমান হোসেন পলাশ ব‌লেন, ‘রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে যে হরিলুট তা ইতিহাসে সেরা। দুর্নীতির কালো মেঘ বাংলাদেশকে ঘিরে ফেলেছে। একই সোচ্চার প্রতিবাদি হতে হবে, এই মহামারির বিরুদ্ধে। দেশে দুর্নীতির সাথে বাড়ছে বেকারের সংখ্যা, কৃষকের হাহাকার।’

একই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাগো বাংলাদেশ গার্মেন্টস ফেডারেশনের সভাপতি বাহারানে সুলতান বাহার, জাতীয় বিপ্লবী পার্টির আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, গণঐক্যের প্রচার সম্পাদক জাহাঙ্গির আলম।

সময় বাচাঁতে ঘরে বসে কেনা-কাটা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *