| ২০শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং | ৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২২শে রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী | বুধবার

মহিষাশুড়া ইউনিয়ন আ.লীগের সম্মেলনে টাকার বিনিময়ে সভাপতি নির্বাচিত করার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক | নরসিংদী প্রতিদিন –
বৃহস্পতিবার,১৭ অক্টোবর ২০১৯:
নরসিংদী সদর উপজেলার মাধবদীতে মহিষাশুড়া ইউনিয়নে ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সাতজন সভাপতি প্রার্থী থাকা সত্বেও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীকে টাকার বিনিময় সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন পদ বঞ্চিত প্রার্থীরা।

ইতিপূর্বে এ ইউনিয়নে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগে সম্মেলনে পকেট কমিটি গঠন করায় ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ডাক্তার এনামুল হক শাহিন এর বিরুদ্ধে স্থানীয় নেতাকর্মিরা জুতা মিছিল ও বিক্ষোভ করেন। যা সোস্যাল মিডিয়ার তোলপার সৃষ্টি হয়।

এবার এ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সম্মেলনেও পকেট কমিটি গঠন করার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, এ ইউনিয়নে ৩নং ওয়ার্ড সম্মেলনে সাতজন সভাপতি প্রাথী থাকা সত্বেও পদ বঞ্চিত হয়েছে সবাই। এতে টাকার বিনিময় সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীকে সভাপতি নির্বাচিত করায় ফোঁসে উঠেছে পদ বঞ্চিত নেতাকর্মীরা।

বুধবার (১৬ অক্টোবর) বিকালে এ সম্মেলনে সভাপতি প্রার্থী ছিলেন, হুমায়ুর কবির ভূইয়া, ইউপি সদস্য আব্দুল জব্বার, মোহাম্মদ আলী, রিপন মিয়া, মাইনুল হাসান, জাকির হোসেন, শুক্কুর আলী ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ছিলেন তিন জন আসাদ গাজী, মতিউর রহমান মতি, মাসুদ মিয়া। ডাক-ঢোল বাজিয়ে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলেও এতে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী থেকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। এতে সাতজন সভাপতি প্রার্থীর কারো কপালে মিলেনী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি পদ। এ সম্মেলনে উদ্বোধক ও জুরি বোর্ডের প্রধান সম্বনয়ক ছিলেন ডাক্তার এনামুল হক শাহিন। ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাবিবুর রহমান ভূইয়ার সভাপতিত্বে এ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, মাধবদী থানা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এ,আর বোরহান, মহিষাশুড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম বিপ্লব সহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা। তবে এ পকেট কমিটিতে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম বিপ্লব স্বাক্ষর না করেই চলে যান বলে জানান পদ বঞ্চিত প্রার্থীরা।

এবিষয়ে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম বিপ্লব জানিয়েছেন, ৩ নং ওয়ার্ড কমিটির জুরি বোর্ডের সিদ্ধান্তে তিনি একমত নন। সাতজন সভাপতি প্রার্থীর একজনকেও সভাপতি না দেয়ায় তিনি জুরিবোর্ডের ঘোষিত কমিটিতে স্বাক্ষর না করে সভাস্থল ত্যাগ করেন।

তবে দলীয় সূত্র জানিয়েছেন কোন কমিটি গঠনের পূর্বে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী নির্ণয় করতে হবে। তারপর সম্মেলন করে জুরি বোর্ডর সিদ্ধান্তে কোন আপত্তি না থাকলে সভাপতি প্রার্থী থেকে সভাপতি নির্বাচিত ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী থেকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করার নিয়ম রয়েছে।

সময় বাচাঁতে ঘরে বসে কেনা-কাটা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *